‘ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশন’-এর মতে, প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য গভীর ঘুম অত্যন্ত জরুরি।ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঘুমালেও যদি মাঝে মাঝে ঘুম ভেঙে যায়, গভীর ঘুম না হয়, তাহলে শরীর ঠিকমতো রিচার্জ হয় না। মোবাইল স্ক্রল করা, দেরিতে ঘুমানো বা আলো-শব্দযুক্ত ঘরে ঘুমালে এই সমস্যা বাড়ে।
ঘুমের মধ্যে শ্বাসপ্রশ্বাস বারবার থেমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিলে ব্রেন বারবার জেগে ওঠে যা আমরা টের পাই না। ফলে সকালেই ঘুম থেকে ওঠার পরও ক্লান্তি থেকে যায়।পালমোনোলজিস্টের মতে ড. সন্দীপ ঘোষের মতে, অনেকেই জানেন না যে তারা স্লিপ অ্যাপনিয়ায় ভুগছেন। নিয়মিত ঘুমের পরও ক্লান্ত লাগা এর বড় লক্ষণ।
শরীরে হিমোগ্লোবিন কম থাকলে অক্সিজেন পরিবহন ঠিকমতো হয় না। ফলে ঘুমের পরও শরীর দুর্বল লাগে।ঘুম পায়।
বিশেষ করে হাইপোথাইরয়েডিজমের সমস্যা থাকলে শরীরের মেটাবলিজমের গতি কমে যায়। ফলে অতিরিক্ত ক্লান্তি ও ঘুম ঘুম ভাব থাকে।
মানসিক চাপ ও ডিপ্রেশন
‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মেন্টাল হেলথ’-এর তথ্যানুযায়ী, মানসিক অবসাদ থাকলে ঘুমের স্বাভাবিক চক্র নষ্ট হয়। সে ক্ষেত্রে ঘুমালেও ব্রেন বিশ্রাম পায় না।
এই লক্ষণগুলো ২–৩ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।