তার সামনে অপেক্ষা করছে বেশ কয়েকটি কঠিন চ্যালেঞ্জ।জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জাতীয় স্বাস্থ্যসেবার ওপর চাপ, অভিবাসন, আবাসন সংকট এবং জনসেবার মানোন্নয়ন—এসব ইস্যুতেই তাকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন এবং ব্রিটেনের বিদ্যমান পররাষ্ট্রনীতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখারও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
আজকের দায়িত্ব গ্রহণ কেবল একজন প্রধানমন্ত্রীর পরিবর্তন নয়, এটি ব্রিটেনের রাজনৈতিক নেতৃত্বে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা। এখন পুরো নজর থাকবে, উত্তর ইংল্যান্ডের মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিত এই নেতা জাতীয় পর্যায়েও সেই প্রত্যাশা কতটা পূরণ করতে পারেন এবং পরিবর্তনের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে কতটা সফল হন।