একই সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে দেওয়া অন্য এক বিজ্ঞপ্তিতে সিকেপি দাবি করে, ভোটার তালিকার অনিয়ম নিয়ে গণতান্ত্রিক কণ্ঠরোধ করতেই সরকার এই অভিযান চালাচ্ছে আটক সমাজকর্মী ধ্রুব রাঠিসহ অন্য সব নাগরিক ও শিক্ষার্থী আন্দোলনকারীদের অবিলম্বে ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
তবে প্রশাসন থেকে আন্দোলনের কোনো অনুমোদন দেওয়া হয়নি। সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা এড়াতে দিল্লিজুড়ে বসানো হয়েছে কড়া নিরাপত্তা বলয়।প্রায় ৪০ হাজার দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিভিন্ন প্রবেশমুখে বসানো হয়েছে ব্যারিকেড ও স্পাইক স্ট্রিপ।