জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলোকে আরো কার্যকর ও শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।তিনি বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে।সমাজের পরিবর্তনের সঙ্গে মানুষের চাহিদাও বদলে যায়। তাই সময়ের প্রয়োজনে বিদ্যমান আইন সংশোধন ও হালনাগাদ করাও জরুরি।’রবিবার (১৯ জুলাই)জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে ডেপুটি স্পিকার সংসদ ভবনে নিজ কার্যালয়ে এ সব কথা বলেন।
সাক্ষাৎকালে ইউএনডিপির ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ সোনালি দয়ারত্নের নেতৃত্বে সিনিয়র গভর্নেন্স অ্যাডভাইজার ড্রাগান পোপোভিচ, সিনিয়র গভর্নেন্স স্পেশালিস্ট তানভীর মাহমুদ, প্রজেক্ট ম্যানেজার মাহমুদুল হাসান এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে সংসদ গ্রন্থাগারে সদ্য স্নাতকদের জন্য পার্লামেন্টারি ফেলোশিপ বা ইন্টার্নশিপ চালুর বিষয়ে ইউএনডিপির প্রস্তাবে সম্মতি জানান ডেপুটি স্পিকার।
তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ তরুণদের সংসদীয় কার্যক্রম সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনে সহায়ক হবে। তবে সংসদের কোনো প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা অন্য উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রকল্পের সঙ্গে যাতে সমন্বয়হীনতা বা কাজের পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে।
একই সঙ্গে ই-পার্লামেন্ট বাস্তবায়নে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তার জন্য ইউএনডিপির সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।বৈঠকে ইউএনডিপির পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ও নেপালের সংসদ সদস্যদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের প্রস্তাব দেওয়া হলে তাতে সম্মতি জানান ডেপুটি স্পিকার। এ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে সংসদ সদস্যদের জন্য ইউএনডিপির উদ্যোগে ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচি আয়োজনের বিষয়েও তিনি ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন।
এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ..