বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ছোটরা এই সমস্যার কথা বুঝতে পারে না বা গুছিয়ে বলতেও পারে না।তাদের এই অসুবিধার কথা তাই মা-বাবাকেই খেয়াল রাখতে হবে। ঠিক কোন কোন উপসর্গ দেখা দিলে চোখে চশমা উঠবে, তা স্পষ্ট করে জানালেন চক্ষু বিশেষজ্ঞ। চলুন, জেনে নেওয়া যাক—আপনার সন্তান ফোন ঘাঁটার সময় কি তা চোখের খুব কাছে নিয়ে আসে? অথবা বই পড়ার সময় একেবারে বইয়ের পাতার মধ্যে ঝুঁকে পড়ে? এই ইঙ্গিতগুলো স্পষ্ট করে যে দূরের জিনিস দেখতে অসুবিধা হচ্ছে।বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বাচ্চারা এই লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন নয়।আদৌ কোনো অসুবিধা হচ্ছে কি না, তা বাচ্চারা বোঝে না। তাই বাচ্চাকে ডেকে জিজ্ঞেস করুন। চোখের সমস্যাটি নিজে যাচাই করে দেখুন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।দীর্ঘক্ষণ ল্যাপটপ বা ফোনের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থেকে কি চোখ থেকে পানি পড়ছে? কিংবা চোখ লাল হয়ে যাচ্ছে আপনার সন্তানের? এর সঙ্গে যদি মাথা ব্যথার লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে জানবেন এটিও চোখ খারাপের উপসর্গ।লক্ষ্য রাখুন আপনার বাচ্চা চোখ পিটপিট করছে কি না! এক্ষেত্রে ফোকাসে অসুবিধা বুঝতে পারলে শিগগিরই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।চোখে ঝাপসা দেখলে অনেক সময় বাচ্চাদের মধ্যে চোখ রগড়ানোর অভ্যাস দেখা দেয়। চোখের পাওয়ার বাড়লে এই উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তাই সময় নষ্ট না করে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।পড়াশোনা করার সময় বইয়ের লাইন হারিয়ে ফেলা বা অক্ষর হারিয়ে ফেলার মতো উপসর্গ বারবার ঘটলে অবশ্যই চিকিৎসককে দেখান। এটিও চোখ খারাপের একটি লক্ষণ হতে পারে।তাই, এই ধরনের উপসর্গ বাচ্চাদের মধ্যে দেখতে পেলে সময় নষ্ট করবেন না। অবশ্যই দ্রুত একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। মোবাইল বা টিভির পর্দা থেকে বাচ্চাকে দূরে রাখুন। মাঠে খেলতে উৎসাহ দিন। অবহেলা করলে ভবিষ্যতে বড়সড় ক্ষতি হতে পারে সন্তানের।