হেবরন ডিফেন্স কমিটির সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দা আরেফ জাবের আনাদোলুকে বলেন, শুক্রবার সকাল থেকেই পুরনো শহরের বিভিন্ন পাড়ায় কারফিউ বলবৎ রয়েছে। ইসরায়েলি সেনারা পুরনো শহরে যাওয়ার সব সামরিক চেকপয়েন্ট বন্ধ করে দিয়েছে এবং মানুষকে শহরে ঢোকা–বেরোনো সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে। এ কারণে অনেক ফিলিস্তিনি বাসিন্দা নিজ বাড়িতে ফিরতে পারেননি এবং বাধ্য হয়ে হেবরনের অন্য এলাকায় আত্মীয়দের বাড়িতে রাত কাটিয়েছেন।জাবের বলেন, শুক্রবার রাত ও শনিবার সকাল উভয় সময়েই শত শত অবৈধ ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী সামরিক বাহিনীর কড়া পাহারায় পুরনো শহরের ভেতর দিয়ে ‘উসকানিমূলক’ শোভাযাত্রা করেছে।
প্রতি বছরের মতো এবারও হেবরনে ইহুদি ধর্মীয় উৎসব ‘সারা’স ডে’ উপলক্ষে এই আয়োজন চলছে, যা শহরে ইহুদিদের ঐতিহাসিক উপস্থিতির বর্ণনা প্রচারের উদ্দেশ্যে পালন করা হয়।
ফিলিস্তিনি ওয়াক্ফ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শুরুর দিক থেকেই ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ প্রতিদিন ইব্রাহিমি মসজিদের সুক গেট বন্ধ রাখছে এবং পূর্বদিকের গেটও বন্ধ করে দিয়েছে; এমনকি গেটের জানালাগুলোও ঢেকে দিয়েছে।
ইসরায়েলের একতরফা ব্যবস্থাপনায় মসজিদটি বছরে ১০ দিন ইহুদি ধর্মীয় উৎসবে মুসলিমদের জন্য পুরোপুরি বন্ধ থাকে এবং ইসলামি ১০টি বিশেষ দিনে ইহুদিদের জন্য বন্ধ থাকে।তবে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে মুসলিমদের জন্য নির্ধারিত ছুটির দিনগুলোতে পূর্ণ প্রবেশাধিকারের নিয়ম ইসরায়েল আর মানছে না।