এমনটাই জানাচ্ছেন হায়দরাবাদের নিউরোলজিস্ট ডা. সুধীর কুমার।ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে ডা. কুমার বলেন, ‘অনেক প্রচলিত ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় পা ফুলে যায়। সবচেয়ে বেশি দায়ী দুটি ওষুধ হলো অ্যামলোডিপিন—যা রক্তচাপ কমাতে ব্যবহৃত হয় এবং পাইওগ্লিটাজোন—যা টাইপ-২ ডায়াবেটিসে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।’ডা. কুমার ব্যাখ্যা করেন, অ্যামলোডিপিন শরীরের ছোট রক্তনালিগুলোকে প্রসারিত করে, ফলে তরল পদার্থ আশেপাশের টিস্যুতে জমে যায়।অন্যদিকে পাইওগ্লিটাজোন শরীরে সোডিয়াম ও পানি জমিয়ে রাখে, যার ফলে পা বা পায়ের গোড়ালি নরম হয়ে যাওয়া বা ফুলে যেতে পারে। বয়স্কদের ক্ষেত্রে বা যারা বেশি মাত্রায় এই ওষুধ গ্রহণ করেন তারা এই সমস্যায় বেশি পড়েন।এ ছাড়া প্রেগাবালিন নামের একটি ওষুধ, যা সাধারণত স্নায়ুর ব্যথায় দেওয়া হয়, সেটিও একইরকম ফোলাভাব সৃষ্টি করতে পারে। ‘এই ওষুধ ক্যাপিলারির পারমিয়াবিলিটি বাড়িয়ে দেয় এবং শিরায় রক্ত জমে থাকে, ফলে পায়ের নিচে ফোলাভাব বা ফুলে যাওয়া দেখা দেয়।তিনি পরামর্শ দেন, যদি কেউ নতুন করে এই ওষুধগুলো শুরু করার পর পায়ে ফোলাভাব লক্ষ্য করেন, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত। প্রয়োজনে ওষুধের ডোজ পরিবর্তন বা বিকল্প ওষুধ বিবেচনা করা হতে পারে।