একবার ইমাম ইবনে খুজাইমা (রহ.)-কে প্রশ্ন করা হল যে, তিনি এই এত ইলম কোথা থেকে পেলেন? তখন তিনি বললেন, ‘আমি যখনই জমজমের পানি পান করেছি, আল্লাহর কাছে উপকারী ইলম প্রার্থনা করেছি’। (তাজকিরাতুল হুফ্ফায, খন্ড : ২, পৃষ্ঠা-২০৮)
হাফেজ ইবনে হাজার (রহ.) বলেন, আমি যখন হাদিস শিখতে শুরু করি, তখন একবার জমজমের পানি পান করেছিলাম এবং আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছিলাম যেন তিনি আমাকে হাদিস মুখস্থ রাখার ক্ষেত্রে ইমাম জাহাবি (রহ.)-এর স্তরের হিফজ দান করেন।
ইবনুল কাইয়্যুম জাওজি (রহ.) বলেন, ‘যখন আমি মক্কায় অবস্থান করতাম, তখন মাঝে মধ্যে এমন তীব্র যন্ত্রণাদায়ক ব্যথা অনুভব করতাম যে আমার চলাফেরা করতে পারতাম না। বিশেষ করে তাওয়াফের সময়। তখন আমি দ্রুত সুরা ফাতিহা পাঠ করে ব্যথার স্থানে মাসাহ করতাম।
সালাফে সালেহিন যেভাবে জমজমকে শ্রদ্ধা, বিশ্বাস ও আধ্যাত্মিকতার সাথে গ্রহণ করেছেন, তা আমাদের জন্যও অনুসরণীয় আদর্শ। তারা জমজমের মাধ্যমে শুধু শারীরিক তৃপ্তিই খুঁজেননি; বরং আল্লাহর রহমত, অন্তরের প্রশান্তি এবং দোয়া কবুলের আশা লালন করেছেন।