• শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০২:২৯ অপরাহ্ন
/ ধর্ম-ইসলাম
মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, فَفَهَّمۡنٰهَا سُلَیۡمٰنَ ۚ وَ كُلًّا اٰتَیۡنَا حُكۡمًا وَّ عِلۡمًا ۫ وَّ سَخَّرۡنَا مَعَ دَاوٗدَ الۡجِبَالَ یُسَبِّحۡنَ وَ الطَّیۡرَ ؕ وَ كُنَّا فٰعِلِیۡنَ সরল অনুবাদ : ‘তারপর আমি এ বিষয়ের ফয়সালা সুলায়মানকে বুঝিয়ে দিলাম। আর আমি তাদের প্রত্যককেইে দিয়েছিলাম প্রজ্ঞা ও জ্ঞান। এবং আমি পর্বতমালা ও পাখিদের দাউদের অধীন করে দিয়েছিলাম, তারা দাউদের কাছে আমার তাসবিহ পাঠ করত : আর এসব কিছুই আমি করছিলাম।’ (সুরা বিস্তারিত...
হজযাত্রাকে আরও সহজ, আধুনিক ও ঝামেলামুক্ত করতে প্রযুক্তিনির্ভর এক নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হজ ব্যবস্থাপনাকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনার অংশ হিসেবে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় চালু করতে যাচ্ছে ‘লাব্বাইক’ নামের একটি সমন্বিত
ইসলামের ইতিহাসে ভালোবাসার এক অনন্য, উজ্জ্বল ও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হলো মহানবী (সা.)-এর প্রতি আবু বকর সিদ্দিক (রা.)-এর গভীর ভালোবাসা। এই ভালোবাসা শুধু আবেগের নয়, বরং আত্মত্যাগ, বিশ্বাস ও নিঃস্বার্থ আনুগত্যে
মানুষের জীবনে নিরাপত্তা—শারীরিক, মানসিক ও আত্মিক-অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। অজানা বিপদ, শত্রুর কুমন্ত্রণা কিংবা হঠাৎ বিপর্যয় থেকে বাঁচতে একজন মুমিনের সর্বোত্তম আশ্রয় হলো আল্লাহ তাআলার স্মরণ ও দোয়া। তাই ইসলামে
ইসলামে জুমার দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পবিত্র কোরআনে জুমার দিন দ্রুত মসজিদে গমনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া হাদিসে গুরুত্বপূর্ণ আমলের কথা বর্ণিত হয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনরা! জুমার দিন নামাজের
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কোনো এক রাতে বা দিনে মহানবী (সা.) নিজ গৃহ থেকে বের হওয়ার পর আবু বকর ও ওমর (রা.)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়। মহানবী (সা.)
মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, وَ هُوَ الَّذِیۡ خَلَقَ الَّیۡلَ وَ النَّهَارَ وَ الشَّمۡسَ وَ الۡقَمَرَ ؕ كُلٌّ فِیۡ فَلَكٍ یَّسۡبَحُوۡنَ সরল অনুবাদ : আর তিনিই রাত ও দিন এবং
যখন আকাশে বজ্রপাতের শব্দ শোনা যায়, বিদ্যুৎ চমকায় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কা দেখা দেয়, তখন মানুষের মনে স্বাভাবিকভাবেই ভয় জাগে। এমন মুহূর্তে আমাদের প্রিয় নবীজি (সা.) আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতেন