• সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন
/ ধর্ম-ইসলাম
ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। তাই একজন মুসলিম হিসাবে শরিয়া মানা জীবনের স্বাভাবিক ও অবিচ্ছেদ্য দাবি।নামাজ, রোজা, হজ ও জাকাত যেমন ইসলামের অংশ, তেমনি মানুষের সঙ্গে আচরণ, পরিবার ও সমাজের দায়িত্ব, বিস্তারিত...
পবিত্র কাবাঘরের পূর্ব কোণে স্থাপিত কালো পাথর—হাজরে আসওয়াদ। মুসলমানদের হৃদয়ে এই পাথরের স্থান অত্যন্ত সম্মানের।হজ ও ওমরাহর তাওয়াফের সময় হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ বা চুম্বন করা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নত। তাই পৃথিবীর
বিশিষ্ট সাহাবি হজরত আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) বলেছেন, যার মধ্যে চারটি স্বভাব থাকবে, সে হলো মুনাফিক। আর যার মধ্যে একটি স্বভাবও অবশিষ্ট থাকবে, সে
ইতিহাসের পাতায় বহু রাজা-বাদশাহর নাম হারিয়ে গেছে। কিন্তু কিছু ঘটনা সময়কে অতিক্রম করে মানুষের হৃদয়ে এখনো গেঁথে আছে।কারণ সেগুলো শুধু রাজ্য, ক্ষমতা কিংবা ঐশ্বর্যের গল্প নয়; বরং সত্যের সন্ধান, আত্মসমর্পণ
মতপার্থক্য মানবজীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। একই পরিবারে, একই প্রতিষ্ঠানে, এমনকি একই মতাদর্শের মানুষের মধ্যেও দৃষ্টিভঙ্গি ও চিন্তার পার্থক্য থাকতে পারে। ইসলামও মানুষের এই স্বাভাবিক বৈচিত্র্যকে অস্বীকার করেনি। বরং মতপার্থক্যের ক্ষেত্রে কিভাবে
মহানবী মুহাম্মদ (সা.) শুধু সব নবী ও রাসুলের মধ্যে শ্রেষ্ঠ নন; বরং গোটা সৃষ্টির মধ্যেও তিনি সর্বাধিক মর্যাদাশীল এবং আল্লাহর কাছে সম্মানিত। এখানে তাঁর শ্রেষ্ঠত্বের কিছু প্রমাণ সংক্ষেপে উল্লেখ করা
আজ বুধবার, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। প্রসিদ্ধ মতানুসারে এই দিনে মহানবী (সা.) পৃথিবীতে আগমন করেছিলেন এবং একই দিনে নবুয়তের মহান দায়িত্ব শেষ করে পৃথিবী থেকে
তকদির বা ভাগ্যের ভালো-মন্দে বিশ্বাস করা ঈমানের অঙ্গ। ভাগ্যে বিশ্বাস করা ছাড়া কোনো ব্যক্তি মুমিন হতে পারে না।এ ক্ষেত্রে ইসলামে ভাগ্যকে দুইভাবে ব্যাখ্যা করা হয়। এর মধ্যে একটি হলো ‘মুবরাম’