ইসলামের ইতিহাসে এমন কিছু স্থান রয়েছে, যেগুলো শুধুমাত্র স্থাপত্যের কারণে নয়, বরং ঈমান, ধৈর্য ও আল্লাহর রহমতের অবিস্মরণীয় স্মৃতির কারণে যুগে যুগে মুসলমানদের হৃদয়ে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছে। সৌদি আরবের
পরকালে সফল হতে ক্ষণস্থায়ী পৃথিবীতে গুনাহ বা পাপ থেকে বেঁচে থাকার পাশাপাশি উত্তম আমল করা জরুরি। কারণ, বান্দার আমলেই নির্ধারণ হবে পরকালে তার ঠিকানা জান্নাত নাকি জাহান্নাম। এজন্য ক্ষণস্থায়ী পৃথিবীর
চট্টগ্রামসহ দেশের যেসব অঞ্চলে মানুষ বন্যায় পানিবন্দি, তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের ঈমানি ও মানবিক দায়িত্ব। কেউ অর্থ দিয়ে, কেউ খাদ্য দিয়ে, কেউ বিশুদ্ধ পানি বা ওষুধ দিয়ে, কেউ শ্রম দিয়ে,
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রচারিত সংবাদ অনুযায়ী, বরিশালের একটি এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তি সাতটি শিয়াল ধরে সেগুলো জবাই করে রুটি দিয়ে খেয়েছেন। এর পর থেকেই
মানবজাতির ইতিহাসে মহানবী (সা.)-এর মতো পূর্ণাঙ্গ ও সুষম ব্যক্তিত্বের অধিকারী আর কেউ ছিলেন না। তাঁর চরিত্র যেমন ছিল অনুপম, তেমনি তাঁর শারীরিক গঠনও ছিল আল্লাহর এক বিস্ময়কর সৃষ্টি। সাহাবায়ে কেরাম
বিশিষ্ট সাহাবি আবু জর জুনদুব ইবনে জুনাদাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) তাঁর রব থেকে বর্ণনা করেন। মহান রব বলেছেন, ‘হে আমার বান্দারা, আমি জুলুমকে আমার নিজের জন্য হারাম করে
মানুষের জীবনে কিছু অশুভ গুণ ও পরিণতি এমন আছে, যা দুনিয়ার শান্তি নষ্ট করে এবং আখিরাতের সফলতাকেও বিপন্ন করে তোলে। তাই মহানবী (সা.) তাঁর উম্মতকে শুধু ইবাদত-বন্দেগির শিক্ষা দেননি; বরং