আর এ কারণেই গত জুন মাসে ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজ ফাউন্ডেশনের ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৩৯ জন শীর্ষ কৃষি-খাদ্য উদ্ভাবক ও উদ্যোক্তার মধ্যে উঠে এসেছে তার নাম। পাশাপাশি বিএনপির উৎপাদনমুখী রাজনীতির যে মডেল, তারই প্রতিফলন ঘটিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত, গতকাল বুধবার (২২ অক্টোবর) রাতে খাদ্য ও কৃষিতে নোবেলখ্যাত বিশ্বের সম্মানজনক ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজ ফাউন্ডেশনের (ডব্লিউএফপিএফ) ‘টপ এগ্রি ফুড পাইওনিয়ার’ পুরস্কার গ্রহণ করেছেন আবদুল আউয়াল মিন্টুযুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া রাজ্যের রাজধানী ডেস মইনেসে অনুষ্ঠিত বোরলগ ডায়ালগ সম্মেলনে এই পুরস্কার তুলে দেন ডব্লিউএফপিএফ-এর সভাপতি মাশাল হুসেইন ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গভর্নর টমাস জে. ভিলসাক।নয়ন বাংগালী বলেন, বর্তমানে বিএনপি যে রাজনীতি চায় তারই প্রতিফলন ঘটিয়েছেন জনাব মিন্টু। তার এই স্বীকৃতিকে সম্মান জানাতে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. ওসমান ফারুক, ঊইমেন চেম্বার অব কমার্সের প্রধান ও জনাব আব্দুল আওয়াল মিন্টুর স্ত্রী নাসরিন আউয়াল মিন্টুসহ আমাদের অনেকে সুদূর যুক্তরাষ্ট্রে মিলিত হয়েছি। এই স্বীকৃতি আমাদের উদযাপনের উপলক্ষ।

তিনি আরো বলেন, ২০১১ সালে আবদুল আউয়াল মিন্টু লাল তীর লাইভস্টক ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড গড়ে তোলেন। এর লক্ষ্য মাংস ও দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি। এ প্রতিষ্ঠান জেনেটিকভাবে উন্নত জাতের ষাঁড় থেকে মানসম্পন্ন বীর্য উৎপাদন করে টেকসই কৃত্রিম প্রজনন কর্মসূচি পরিচালনা করছে। কৃষকদের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ, প্রশিক্ষণ ও জ্ঞানবিনিময় কার্যক্রম মাঠপর্যায়ে পশুপালন উৎপাদনশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে।এসকল বিবেচনায় এনেই আন্তর্জাতিক এই সংস্থা মনে করে যে, আবদুল আউয়াল মিন্টুর নেতৃত্ব বিশ্বকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।