জুরি বোর্ডের প্রধান ও অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সাংবাদিক ফারুক মেহেদী বলেন, ‘সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে প্রবীণদের অবদান অপরিসীম। তাঁদের অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব নতুন প্রজন্মকে পথ দেখায়।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রবীণদের অবদানকে যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া সমাজের দায়িত্ব।’
মহাত্মা গান্ধী ‘প্রবীণ সেবা পদক’ প্রদানের উদ্যোগকে তিনি অত্যন্ত প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, এর মাধ্যমে সমাজের আলোকিত মানুষদের স্বীকৃতি তাদের কাজের স্পৃহা বাড়িয়ে দেবে এবং সমাজে ভালো কাজের প্রসার ঘটবে।
প্রবীণদের অধিকার ও কল্যাণে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে কাজ করার পাশাপাশি তিনি এ বিষয়ে তিন শতাধিক প্রবন্ধ ও বেশ কয়েকটি গ্রন্থ রচনা করেছেন।
গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের প্রতিনিধিরা জানান, আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন এই প্রতিষ্ঠানটি ১৯৪৬ সালে মহাত্মা গান্ধীর স্মৃতি ও তাঁর শান্তি-সমপ্রীতির আদর্শ ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে ট্রাস্টটি প্রায় দুই লাখ পরিবারের সঙ্গে কাজ করছে এবং উপকূলীয় ও দুর্গম এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা ও চক্ষু শিবির পরিচালনা করছে।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব ও ট্রাস্টের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) জীবন কানাই দাস বলেন, ‘প্রবীণদের প্রতি শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি মানসিক, আর্থিক ও সামাজিক অবহেলাও এক ধরনের নির্যাতন। এসব বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি এবং প্রবীণদের অধিকার প্রতিষ্ঠাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে বক্তারা প্রবীণদের প্রতি সম্মান, পারিবারিক দায়িত্ববোধ এবং তাদের মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে সমাজের সব স্তরের মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।