ঝিনাইদহের মহেশপুরে আনসার ও ভিডিপি সদস্যেকে দেওয়া পাকা ঘর নির্মাণে রঙিন টিনের পরিবর্তে নিম্নমানের সাদা টিনে রং করা হচ্ছে—এমন তথ্য পেয়ে ঘটনাস্থলে যান উপজেলা প্রতিনিধি শামীম খান জনী। সেখানে আগে থেকে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা খুশি খাতুন। সাংবাদিককে দেখেই তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠেন তিনি।কোনো কিছু জানতে চাওয়ার আগেই তিনি সাংবাদিকের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন এবং দ্রুত সেখান থেকে চলে যান। কিছুক্ষণ পর ঘর বরাদ্দ পাওয়া সহকারী মহিলা আনসার প্লাটুন কমান্ডার রেবেকা খাতুনকে ফোন করেন তিনি। ফোনে তিনি রেবেকাকে বলেন, ‘হারামজাদা সাংবাদিক এখনো আছে, না চলে গেছে? আপনি কি হারামজাদা সাংবাদিকের সামনে দাঁড়িয়ে আমার সাথে কথা বলছেন? এভাবে একাধিকবার হারামজাদা শব্দ উচ্চারণ করে সাংবাদিককে গালি দিতে শোনা যায় তাকে, যা একজন সরকারি কর্মকর্তার মুখ থেকে কেউ আশা করে না।সাংবাদিক শামীম খান জনী বলেন, সংবাদ সংগ্রহ করাই সাংবাদিকদের কাজ।আর সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করা একজন সরকারি কর্মকর্তার দায়িত্ব। কিন্তু আনসার কর্মকর্তা খুশি খাতুর এর উল্টো। তাঁর বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করলেই কোনো এক অপশক্তির বলে সেই সাংবাদিককে হয়রানির স্বীকার হতে হয়। তিনি বলেন ইতোপূর্বে আমার বিরুদ্ধে কালবেলাসহ বেশ কয়েকটি জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় ঘুষ চাওয়াসহ অনিয়ম দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশিত হলেও তিনি রয়েছেন বহাল তবিয়তে।তার জেরে আমাকে গালি দেওয়াসহ অশোভন আচরণ করেছেন। আমি আনসার কর্মকর্তা খুশি খাতুনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও দ্রুত বদলি চাই।গত ২২ সেপ্টম্বর ঝিনাইদহের মহেশপুরে আনসার ও ভিডিপি সদস্যেকে দেওয়া পাকা ঘর নির্মাণে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ঘর নির্মাণ করে নতুন ঘরে ওঠার আগেই দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়েছে উপজেলা সহকারী মহিলা আনসার প্লাটুন কমান্ডার রেবেকা খাতুনের কপালে। এই শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।