এদিন দুদকের সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ তাদের আয়কত নথি জব্দের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন।আবেদনে বলা হয়, আসামি শ ম রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহারপূর্বক অসাধু উপায়ে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৭ কোটি ৯৬ লাখ ৭০ হাজার ৩১২ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের মালিকানা অর্জন ও দখলে রাখেন। নিজ নামে ১২টি ব্যাংক হিসাবে ৬ কোটি ৮৪ লাখ ৮২ হাজার ৮৩৪ টাকার সন্দেহজনক অসংখ্য লেনদেন করার অভিযোগটি তদন্তাধীন রয়েছে। এ ছাড়া আসামি ফিরোজা পারভীনের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৪ কোটি ৬ লাখ ৩৮ হাজার ৫৪৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ভোগদখলে রাখার অভিযোগটি তদন্তাধীন রয়েছে। মামলাটির সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের আয়কর নথির স্থায়ী অংশ, বিবিধ অংশ ও এ্যাসেসমেন্ট প্রতিবেদন (যদি থাকে) এবং নোটশিটসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র/তথ্যাদি এবং অফিস আদেশের অংশ সংগ্রহপূর্বক পর্যালোচনা করা একান্ত প্রয়োজন।পরে শুনানি শেষে আদালত তাদের আয়কর নথি জব্দের অনুমতি দেন।