সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নতুন প্রস্তাবে অধিক নমনীয়তা প্রতিফলিত হয়েছে এবং একটি ‘উইন-উইন’ চুক্তির পথে অগ্রসর হওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে।
টার্মিনাল প্রকল্পটিতে মূলত জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (জাইকা) অর্থায়ন করেছে এবং এটি আনুমানিক ২১হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে।
প্রায় ৫ লাখ ৪২ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই টার্মিনালটি প্রতি বছর অতিরিক্ত ১ কোটি ২০ লাখ থেকে ১ কোটি ৬০ লাখ যাত্রী এবং প্রায় ৯ লাখ টন কার্গো সামলানোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
টার্মিনালটি চালু করতে বিলম্ব হওয়ার কারণে দৃশ্যমান প্রভাব পরিলক্ষিত হয়েছে। এয়ারলাইনগুলোর জট, স্লট সংকট এবং পরিচালন অদক্ষতার মুখোমুখি হচ্ছে। আর যাত্রীরা টার্মিনালে ভিড়ের মধ্যে ভোগান্তি ও সেবার মান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন।
সংশোধিত মূল্য এখন আলোচনায় এবং উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বাড়ায় উল্লেখ করে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রক্রিয়াটি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
বেবিচকের সাবেক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান বলেন, তৃতীয় টার্মিনাল চালু করা শুধু ঢাকার বিমানবন্দরের চাপ কমানোর জন্যই নয়, বরং দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক বিমান ও লজিস্টিকস কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরো বলেন, ‘যদি ৩ এপ্রিলের বৈঠকে ঐকমত্যে পৌঁছানো যায়, তাহলে বাংলাদেশ অবশেষে তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিমান অবকাঠামো প্রকল্প চালু করতে পারবে। এতে অনেক বছরের বিলম্বের অবসান ঘটবে এবং দেশের বিমান চলাচল সম্প্রসারণের নতুন অধ্যায় শুরু হবে।’