বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
সংসদ ভবনে বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ব্রিটিশ হাইকমিশনের রাজনৈতিক কাউন্সেলর টিমোথি ডাকেট ও দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক) কেটি ওয়ার্ড উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষে অংশ নেন তার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এবং দলের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা টিমের সদস্য আলী আহমেদ মাবরুর।
সাক্ষাৎকালে তারা নির্বাচন-পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, আসন্ন জাতীয় বাজেট, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের সম্ভাবনা, অভিবাসন প্রক্রিয়া এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
উভয় পক্ষই বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আগামী দিনে আরো সম্প্রসারিত ও গতিশীল হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতা মো. শফিকুর রহমান বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্রকে আরো শক্তিশালী করা, সংসদ সদস্যদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এবং এ দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে যুক্তরাজ্যের ধারাবাহিক অবদানের প্রশংসা করেন।
অন্যদিকে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জামায়াতে ইসলামীর ছায়া সরকার ও ছায়া বাজেট প্রণয়নের মতো গঠনমূলক উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।