কম্বোডিয়ার বিভিন্ন সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে উদ্ধার হওয়া ৩৭ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে গিয়ে তাদের জোরপূর্বক সাইবার প্রতারণার কাজে নিয়োজিত করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
কম্বোডিয়ার বিভিন্ন সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে উদ্ধার হওয়া ৩৭ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে গিয়ে তাদের জোরপূর্বক সাইবার প্রতারণার কাজে নিয়োজিত করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম জানিয়েছে, দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে তাদের জরুরি সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছানোর জন্যও আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের একজন শাহিনুর রহমান (ছদ্মনাম) জানান, বৈধ প্রক্রিয়ায় বিদেশে ভালো চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের কম্বোডিয়ায় পাঠানো হয়।
এর আগে একইভাবে এ বছরের ২২ জানুয়ারি মিয়ানমারের একটি সাইবার স্ক্যাম সেন্টার থেকে আটজন এবং ২০২৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ১৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফেরেন। তাদেরও ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে থাইল্যান্ডের সীমান্ত এলাকা মায়েসট হয়ে জোরপূর্বক মায়ানমারে প্রবেশ করানো হয়। সেখানে পৌঁছানোর পরই তাদের পাসপোর্ট ও মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে বিদেশের মাটিতে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়। ভয়াবহ নির্যাতন করে নানা ধরনের সাইবার জালিয়াতির কাজ করানো হতো।
তিনি বলেন, এ কারণেই সরকার এবং ব্র্যাকের পক্ষ থেকে একাধিকবার থাইল্যান্ড, মায়ানমার, লাওস, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ায় যাওয়ার বিষয়ে সচেতন হতে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আমরা সবাইকে সতর্ক করছি। এসব বিষয়ে বিদেশগামীসহ সবার সচেতনতা প্রয়োজন। সরকারেরও এসব দেশে কর্মী পাঠানোর অনুমোদন দেওয়ার আগে আরো ভালো করে যাচাই বাছাই করা উচিত। বিশেষ করে বিদেশগামী কর্মীদের চাকরি যাচাই, নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণ এবং সাইবার স্ক্যাম বন্ধে আন্তর্জাতিকভাবে কাজ করতে হবে।