কিন্তু ইরিনা সেই কথা মেনে নেননি।জভেরেভের ভাষায়, ‘এমন পরিস্থিতিতে একজন মায়ের পক্ষে চিকিৎসকের সেই কক্ষ থেকে বেরিয়ে এসে বলা যে, আমার ছেলে যা হতে চায়, সে তা-ই হবে—এটা ভীষণ শক্ত মনের পরিচয়। মা তখন দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেছিলেন, অসুস্থতা কখনো আমার জীবনকে সংজ্ঞায়িত করবে না।’