সম্প্রতি কম্পানিটির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) জানানো হয়েছে।বিএসইসিকে দেওয়া বেক্সিমকো ফার্মার চিঠিতে বলা হয়েছে, কম্পানির পরিচালনা পর্ষদ থেকে সরে যাওয়ার বিষয়ে সালমান এফ রহমান সম্মতি দিয়েছেন। তার পদত্যাগের পর নতুন করে পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শেয়ারবাজার-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, বেক্সিমকো ফার্মা দেশের ওষুধ খাতের অন্যতম ভালো কম্পানি। তবে সালমান এফ রহমানের মালিকানা ও প্রভাবের কারণে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কম্পানিটির সুনাম ও ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তার পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত কম্পানিটির জন্য ইতিবাচক হতে পারে বলে মনে করছেন তারা। এতে কম্পানির ব্যাবসায়িক কার্যক্রমে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসার পাশাপাশি শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থাও বাড়তে পারে।
বেক্সিমকো ফার্মার সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে কম্পানিটি ২২২ কোটি টাকা মুনাফা করেছে। এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কম্পানিটির মুনাফা ছিল ৬৯৪ কোটি টাকা।
১৯৮৬ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বেক্সিমকো ফার্মার উদ্যোক্তাদের হাতে রয়েছে কোম্পানিটির ৩০ শতাংশ শেয়ার। উদ্যোক্তাদের মধ্যে সালমান এফ রহমানও রয়েছেন। বাকি ৭০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক, বিদেশি ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।