শফিউল মিল্কির বিরুদ্ধে যৌন অপরাধের মামলা চলছে কয়েক বছর ধরে। এর আগে ২০২৩ সালে ছয় নারী রোগীর সঙ্গে যৌন অপরাধের ১৫টি অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। ওই বছরের এপ্রিলে আদালত তাকে সাড়ে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেন। এর মধ্যে অন্তত ১১ বছর কারাভোগের নির্দেশ ছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের জুনে ভিক্টোরিয়ার আপিল আদালত আগের বিচারপ্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ত্রুটি পাওয়ায় সেই দণ্ডাদেশ বাতিল করে পুনর্বিচারের নির্দেশ দেন।আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, সাক্ষ্যপ্রমাণ ব্যবহারের বিষয়ে জুরিদের যথাযথ নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের হাজির না করার বিষয়টিও বিচারে প্রভাব ফেলেছিল। পুনর্বিচারের প্রক্রিয়া চলার মধ্যেই চার নারী রোগীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১০টি অপরাধে দোষ স্বীকার করেন মিল্কি।অন্যদিকে পৃথক ধর্ষণের অভিযোগে বিচার শেষে তিনি খালাস পান।
তথ্য মতে, শফিউল মিল্কি বাংলাদেশে চিকিৎসক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে নিউজিল্যান্ডে যান। সেখান থেকে ২০০৯ সালে অস্ট্রেলিয়ায় যান তিনি। জন্মসূত্রে বাংলাদেশি হলেও তিনি নিউজিল্যান্ডের নাগরিক। দোষ স্বীকার করা ১০টি অপরাধের সাজা নির্ধারণের বিষয়ে আগামী ২৩ অক্টোবর আদালতে পরবর্তী কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে পৃথক ধর্ষণ মামলায় খালাস পেলেও চার নারী রোগীর সঙ্গে যৌন অপরাধের ঘটনায় এখনো তাকে সাজা নির্ধারণের মুখোমুখি হতে হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।