১. আবহাওয়ার পরিবর্তন : বাতাসের আর্দ্রতা কমে যাওয়া, শুষ্ক বাতাস এবং তাপমাত্রার পরিবর্তনে ঠোঁটের আর্দ্রতা কমে যেতে পারে।
৫. পুষ্টির ঘাটতি : কিছু ক্ষেত্রে আয়রন, ভিটামিন বি১২ বা অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের ঘাটতির সঙ্গে ঠোঁটের সমস্যা, বিশেষ করে ঠোঁটের কোণে ফাটার সম্পর্ক থাকতে পারে। তবে শুধু এই লক্ষণ দেখে পুষ্টির ঘাটতি নির্ণয় করা যায় না।
৬. ঠোঁটের প্রদাহ বা অন্য সমস্যা : দীর্ঘদিন ঠোঁট ফাটা, লাল হয়ে যাওয়া, চুলকানি কিংবা ঠোঁটের কোণে ক্ষত হওয়ার পেছনে একজিমা, অ্যালার্জি বা সংক্রমণও দায়ী হতে পারে।
ঠোঁট চাটা বন্ধ করুন : বারবার জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজানো এবং শুকনো চামড়া টেনে তোলা থেকে বিরত থাকুন। এতে ক্ষত ও জ্বালাপোড়া বাড়তে পারে।পর্যাপ্ত পানি পান করুন : তৃষ্ণা ও শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী পানি পান করুন। দীর্ঘ সময় পানি না খেয়ে থাকবেন না।
রোদ থেকেও সুরক্ষা নিন : বাইরে গেলে এসপিএফ ৩০ বা তার বেশি মাত্রার ব্রড-স্পেকট্রাম লিপবাম ব্যবহার করতে পারেন। বাইরে দীর্ঘ সময় থাকলে নির্দেশনা অনুযায়ী পুনরায় লাগান।
ঠোঁটে জ্বালা তৈরি করে এমন পণ্য এড়িয়ে চলুন : মেনথল, কর্পূর, সুগন্ধি বা ঝাঁঝালো উপাদানযুক্ত পণ্য ব্যবহার করলে ঠোঁটে জ্বালা বাড়তে পারে। যে পণ্য ব্যবহারে অস্বস্তি হয় সেটি বন্ধ করুন।
শীত আসার আগেই যত্ন নিন
ঠোঁট ফাটা ছোটখাটো সমস্যা মনে হলেও অবহেলা করলে তা ব্যথা, জ্বালাপোড়া ও ক্ষতের কারণ হতে পারে। তাই শীতের অপেক্ষা না করে এখন থেকেই ঠোঁট আর্দ্র রাখুন, ঠোঁট চাটা বন্ধ করুন এবং উপযুক্ত লিপবাম ব্যবহার করুন।