• সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০৬:২৯ অপরাহ্ন
/ ধর্ম-ইসলাম
ইসলামের ইতিহাসে ভালোবাসার এক অনন্য, উজ্জ্বল ও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হলো মহানবী (সা.)-এর প্রতি আবু বকর সিদ্দিক (রা.)-এর গভীর ভালোবাসা। এই ভালোবাসা শুধু আবেগের নয়, বরং আত্মত্যাগ, বিশ্বাস ও নিঃস্বার্থ আনুগত্যে বিস্তারিত...
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কোনো এক রাতে বা দিনে মহানবী (সা.) নিজ গৃহ থেকে বের হওয়ার পর আবু বকর ও ওমর (রা.)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়। মহানবী (সা.)
মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, وَ هُوَ الَّذِیۡ خَلَقَ الَّیۡلَ وَ النَّهَارَ وَ الشَّمۡسَ وَ الۡقَمَرَ ؕ كُلٌّ فِیۡ فَلَكٍ یَّسۡبَحُوۡنَ সরল অনুবাদ : আর তিনিই রাত ও দিন এবং
যখন আকাশে বজ্রপাতের শব্দ শোনা যায়, বিদ্যুৎ চমকায় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কা দেখা দেয়, তখন মানুষের মনে স্বাভাবিকভাবেই ভয় জাগে। এমন মুহূর্তে আমাদের প্রিয় নবীজি (সা.) আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতেন
অহংকার খতরনাক গুনাহগুলোর মধ্যে সেরা গুনাহ। নিজের সম্পদ, সৌন্দর্য, অবস্থান নিয়ে নিজেকে বড় মনে করা আর অন্যকে ছোট মনে করাই হলো অহংকার। আসলে মানুষকে আল্লাহ যে সম্পদ, সৌন্দর্য, মেধা অবস্থান
রাতের নিস্তব্ধতায় যখন ঘুম আসে না, তখন মন ভারী হয়ে ওঠে—তখন চিন্তা, অস্থিরতা আর এক ধরনের অজানা ক্লান্তি ঘিরে ধরে। এমন মুহূর্তে মানুষ চায় একটু শান্তি, একটুখানি আশ্রয়। তাইতো মহানবী
আল্লাহ তাআলা আদম (আ.) ও হাওয়া (আ.)-কে সৃষ্টি করার পর তাদের বললেন, তারা জান্নাতে যেখানে ইচ্ছা অবস্থান করতে পারবে এবং জান্নাতের সবকিছূ থেকে উপকৃত হতে পারবে। তবে একটি নির্দিষ্ট বৃক্ষ
হজ একটি ফরজ ইবাদত। এটি ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম। তাই প্রত্যেক শারীরিক ও আর্থিকভাবে সক্ষম প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানের জন্য জীবনে অন্তত একবার হজ পালন করা আবশ্যক। এই মহান ইবাদত যথাযথভাবে আদায়