• শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৪:৩৬ অপরাহ্ন
/ ধর্ম-ইসলাম
মানব ইতিহাসে এমন কিছু ঘটনা আছে, যা শুধু গল্প নয়—বরং ঈমানের জীবন্ত উদাহরণ। সুরা কাহাফ-এ বর্ণিত ‘আসহাবে কাহাফ’-এর ঘটনা তেমনই এক বিস্ময়কর কাহিনী, যেখানে একদল তরুণ দুনিয়ার সবকিছু ত্যাগ করে বিস্তারিত...
নবীজি (সা.) বিভিন্ন সাহাবিকে রুকইয়াহ তথা দোয়া পড়ে ঝাড়ফুঁক করতেন। বিভিন্ন হাদিসের মাধ্যমে বিষয়টি প্রমাণিত। এক হাদিসে এসেছে, আনাস (রা.) বর্ণনা করেছেন, আমাদের মধ্য থেকে কেউ অসুস্থ হলে নবীজি (সা.)
হাদিসে একটি বিশেষ দোয়া রয়েছে যা পড়ে দোয়া করলে তা কবুল হয়। দোয়াটি ‘ইসমে আজম’ নামে পরিচিত। অর্থ্যাৎ তা আল্লাহর এমন কিছু গুণবাচক ও মহিমান্বিত নাম, যা আল্লাহর কাছে অনেক
আল্লাহ তাআলা মানবজাতির হেদায়েতের জন্য যুগে যুগে অসংখ্য নবী ও রাসূল প্রেরণ করেছেন। তবে কোরআনে তাঁদের সবার নাম উল্লেখ করা হয়নি; বরং নির্দিষ্ট কিছু নবীর নামই তুলে ধরা হয়েছে, যাতে
কর্মক্ষেত্রে অগ্রগতি লাভের প্রত্যাশা সবাই করে। প্রত্যাশা করে সহকর্মীদের ভেতর নিজের সম্মান, পদমর্যাদা ও প্রভাব বৃদ্ধি পাক। ইসলামের দৃষ্টিতে এই প্রত্যাশা দোষের নয়। ইসলাম মনে করে, কর্মক্ষেত্রে উন্নতি অর্জনের জন্য
ছোট হোক কিংবা বড়, যেকোনো দায়িত্বই মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি পরীক্ষা। রাষ্ট্রের উচ্চপদ, সমাজের নেতৃত্ব থেকে শুরু করে পরিবারের কর্তা—প্রতিটি অবস্থানই একেকটি আমানত; আর আমানতের প্রকৃত স্বরূপ হলো জবাবদিহি।
চেচনিয়ার শালি শহরে অবস্থিত ইউরোপের অন্যতম বৃহৎ ও দৃষ্টিনন্দন মসজিদ ‘প্রাইড অব মুসলিমস’। এটি মূলত আনুষ্ঠানিকভাবে মুহাম্মদ (সা.)-এর নামে নামকরণ করা হয়েছিল। তবে বর্তমানে ‘প্রাইড অব মুসলিমস’ নামেই বেশি পরিচিত।
মসজিদ মুসলিম সমাজের প্রাণকেন্দ্র। মদিনার মসজিদে নববী থেকে যাত্রা শুরু হয়েছিল ইসলামী সমাজ ও রাষ্ট্রের। আর মসজিদের মিম্বার থেকে মুসলিম জাতির নেতৃত্ব দিয়েছেন মহানবী (সা.) ও ইসলামের মহান চার খলিফা।