• সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন
/ ধর্ম-ইসলাম
ইসলামের আগমনের সময় দাসপ্রথা পৃথিবীর বহু সমাজে প্রচলিত ছিল। যুদ্ধবন্দি, ঋণগ্রস্ততা, বংশগত দাসত্ব ও বিভিন্ন সামাজিক প্রথার মাধ্যমে মানুষ দাসে পরিণত হতো। ইসলাম এই দীর্ঘদিনের সামাজিক বাস্তবতা অস্বীকার করেনি। তাই বিস্তারিত...
নিজস্ব প্রতিবেদক: পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাঃ উপলক্ষে অরাজনৈতিক ও সুফিবাদী সংগঠন দাওয়াতে ইসলামী বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে টঙ্গীতে বর্ণাঢ্য স্বাগত জুলুস অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) বাদ জুমা টঙ্গীর মন্নু শাহী জামে
আধুনিক ব্যস্ত জীবনে অনেক প্রবীণ মানুষই আপনজনের অবহেলা, একাকিত্ব ও অসহায়ত্বের শিকার হন। যে মানুষটি একদিন সন্তানকে হাত ধরে হাঁটতে শিখিয়েছেন, পরিবারের জন্য নিজের যৌবন ও শক্তি ব্যয় করেছেন, বয়সের
মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) গভীরভাবে উপলব্ধি করতেন যে, নবীদের মধ্যে একটি আধ্যাত্মিক ঈমানী বন্ধন রয়েছে। তাই যখনই কোনো প্রসঙ্গে কোনো নবীর কথা স্মরণ করা হতো বা তাঁদের নাম উচ্চারিত হতো,
দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী সফরে সুস্থ-স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার জন্য রিজিকের গুরুত্ব অপরিসীম। খোদ মহান রাব্বুল আলামিনও উত্তম বা হালাল উপায়ে রিজিক অন্বেষণের নির্দেশ দিয়েছেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘অতঃপর যখন নামাজ শেষ
পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের মধ্যে ফজর নামাজের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে জামাতে ফজর নামাজ আদায়কারীর বিশেষ মর্যাদার কথা এসেছে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে নবী, আপনি সূর্য ঢলে
জীবন কখনোই শুধু সুখের সমষ্টি নয়। কখনো হাসি, কখনো কান্না; কখনো প্রাপ্তি, কখনো অপূর্ণতা; কখনো স্বস্তি, আবার কখনো এমন দুঃখ—যার ভারে মানুষ মনে করতে পারে, আর বুঝি এগিয়ে যাওয়া সম্ভব
প্রতিদিন সকালে যখন আপনি এক কাপ কফি পান করেন বা দাঁত পরিষ্কার করেন, তখন আপনি হয়তো ভাবেন না যে এই দুটিই মুসলিম উদ্ভাবকদের অবদান। জ্যোতির্বিদ্যা থেকে চিকিৎসা, স্থাপত্য থেকে সংস্কৃতি—মুসলিম