পবিত্র কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত বৈজ্ঞানিক বিষয়াবলী নিয়ে রচিত ‘মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগ এনসাইক্লোপিডিয়া অব দ্য সায়েন্টিফিক মিরাকলস ইন দ্য কোরআন অ্যান্ড সুন্নাহ’ বা পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহে বর্ণিত বৈজ্ঞানিক অলৌকিক বিস্তারিত...
মানুষ ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। জীবনের চলার পথে অসাবধানতায় কিংবা প্রবৃত্তির তাড়নায় মানুষ কখনো না কখনো গুনাহ করে বসে।কিন্তু মুমিনের সৌন্দর্য হলো—সে গুনাহকে আঁকড়ে ধরে থাকে না; বরং ভুল বুঝতে পেরে
পবিত্র কাবাঘরের পূর্ব কোণে স্থাপিত কালো পাথর—হাজরে আসওয়াদ। মুসলমানদের হৃদয়ে এই পাথরের স্থান অত্যন্ত সম্মানের।হজ ও ওমরাহর তাওয়াফের সময় হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ বা চুম্বন করা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নত। তাই পৃথিবীর
বিশিষ্ট সাহাবি হজরত আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) বলেছেন, যার মধ্যে চারটি স্বভাব থাকবে, সে হলো মুনাফিক। আর যার মধ্যে একটি স্বভাবও অবশিষ্ট থাকবে, সে
ইতিহাসের পাতায় বহু রাজা-বাদশাহর নাম হারিয়ে গেছে। কিন্তু কিছু ঘটনা সময়কে অতিক্রম করে মানুষের হৃদয়ে এখনো গেঁথে আছে।কারণ সেগুলো শুধু রাজ্য, ক্ষমতা কিংবা ঐশ্বর্যের গল্প নয়; বরং সত্যের সন্ধান, আত্মসমর্পণ
মতপার্থক্য মানবজীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। একই পরিবারে, একই প্রতিষ্ঠানে, এমনকি একই মতাদর্শের মানুষের মধ্যেও দৃষ্টিভঙ্গি ও চিন্তার পার্থক্য থাকতে পারে। ইসলামও মানুষের এই স্বাভাবিক বৈচিত্র্যকে অস্বীকার করেনি। বরং মতপার্থক্যের ক্ষেত্রে কিভাবে
মহানবী মুহাম্মদ (সা.) শুধু সব নবী ও রাসুলের মধ্যে শ্রেষ্ঠ নন; বরং গোটা সৃষ্টির মধ্যেও তিনি সর্বাধিক মর্যাদাশীল এবং আল্লাহর কাছে সম্মানিত। এখানে তাঁর শ্রেষ্ঠত্বের কিছু প্রমাণ সংক্ষেপে উল্লেখ করা
আজ বুধবার, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। প্রসিদ্ধ মতানুসারে এই দিনে মহানবী (সা.) পৃথিবীতে আগমন করেছিলেন এবং একই দিনে নবুয়তের মহান দায়িত্ব শেষ করে পৃথিবী থেকে