১. আমানতের ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে। কারও কাছে কোনো সম্পদ, গোপন কথা, দায়িত্ব বা অধিকার ন্যস্ত করা হলে তা যথাযথভাবে রক্ষা করা মুমিনের দায়িত্ব। আমানতে খিয়ানত করা মুনাফিকির অন্যতম আলামত।
২. সবসময় সত্য কথা বলতে হবে।মিথ্যা বলা শুধু একটি নৈতিক দুর্বলতা নয়; এটি মুনাফিকির চরিত্র। তাই লাভ-ক্ষতি, ভয়-লজ্জা কিংবা কোনো পরিস্থিতিতেই মিথ্যাকে অভ্যাসে পরিণত করা যাবে না।
৬. নিজের হিসাব নিজেকেই নিতে হবে। এই হাদিস অন্যকে ‘মুনাফিক’ আখ্যা দেওয়ার জন্য নয়; বরং নিজের চরিত্র পরীক্ষা করার জন্য। প্রত্যেক মুসলিমের উচিত নিজেকে প্রশ্ন করা—আমি কি আমানতে খিয়ানত করি? মিথ্যা বলি? ওয়াদা ভঙ্গ করি? ঝগড়ার সময় অশালীন হয়ে যাই?
একজন সত্যিকারের মুমিন শুধু নামাজ-রোজায় নয়, তার কথাবার্তা, ওয়াদা, আমানত ও আচরণেও ইসলামের সৌন্দর্য প্রকাশ করবে। তাই মুনাফিকির আলামত থেকে বাঁচার অন্যতম পথ হলো—আমানতদারিতা, সত্যবাদিতা, প্রতিশ্রুতি পালন ও উত্তম চরিত্র অবলম্বন করা।