• রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৭:০৩ অপরাহ্ন
/ লাইফস্টাইল
আমাদের শরীরের বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেওয়া এবং খাবার হজমে লিভারের ভূমিকা অপরিসীম। কিন্তু ভুল জীবনযাপন আর অস্বাস্থ্যকর খাবারের কারণে বর্তমানে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা অনেক বেড়ে গেছে। শুরুর দিকে এর বিস্তারিত...
রমজান মাসে মানুষের প্রত্যাহিক জীবনে বড় পরিবর্তন আসে। কারণ ইফতার, সাহরি ও তারাবির নামাজ পড়তে হয়। যেগুলো অন্য মাসে করা লাগে না।  খাবার ও ঘুমের সময় বদলে যাওয়ায় অনেকেরই ঘুমের
মোবাইল ফোনের নেশা কিংবা আসক্তি দূর করতে প্রয়োজন সচেতনতা ও অভ্যাস পরিবর্তন। কারণ কাজের নির্দিষ্ট সময় বেঁধে নেওয়া, সামাজিক মাধ্যমে ব্যবহার কমানো, বাস্তবজীবনে সামাজিকতা বৃদ্ধি এবং ঘুমানোর আগে ফোন থেকে
রমজান মাসে ডায়াবেটিক রোগীদের রোজা রাখার ক্ষেত্রে বিশেষ সাবধানতা প্রয়োজন। নিয়ম মেনে চললে অসুস্থতা এড়িয়ে সুস্থভাবে রোজা রাখা সম্ভব। চলুন, জেনে নিই সহজ কিছু পরামর্শ। সেহরিতে যা করবেন শেষ সময়ে
রমজানের কয়েক দিন যেতেই অনেকের সাধারণ অভিযোগ— সারা দিন ভালো থাকলেও ইফতারের পর শরীর ভীষণ ভারী হয়ে আসে, চোখে ঘুম নামে আর পেটে অস্বস্তি শুরু হয়। অনেকেই একে রোজার ক্লান্তি
রমজান এলেই দৈনন্দিন জীবনের ছন্দে পরিবর্তন আসে—ভোরে সাহরি, সারা দিন রোজা, সন্ধ্যায় ইফতার, রাতে তারাবিহ ও সামাজিক জমায়েত। এই পরিবর্তনের সঙ্গে শরীরও ধীরে ধীরে মানিয়ে নেয়। সাধারণত খাদ্যাভ্যাস, পানিশূন্যতা ও
রোজার দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর ইফতারে মৌসুমি ফল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। ভাজাপোড়া জাতীয় জিনিস খেলে শরীরের ক্ষতি হতে পারে। পুষ্টিবিদরা বলেন, মৌসুমি ফল রাখুন প্রথম সারিতে। কারণ
বর্তমানে বিশ্বজুড়ে হৃদরোগে আক্রান্তের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। হার্ট অ্যাটাকজনিত মৃত্যুও ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। হৃদরোগের পেছনে কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসসহ নানা শারীরিক সমস্যা বড় ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, অনিয়মিত