মানুষ মাত্রই মরণশীল। প্রতিটি প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘প্রতিটি প্রাণী মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে।’ (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ১৮৫) এই পরম সত্য বিস্তারিত...
ইবাদতের গ্রহণযোগ্যতা শুধু বাহ্যিক রূপে সীমাবদ্ধ নয়; বরং তা নির্ভর করে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শেখানো পদ্ধতি ও আন্তরিকতার ওপর। নামাজ ইসলামের স্তম্ভ হলেও অনেক সময় অজ্ঞতা বা গাফিলতির কারণে মানুষ এর
ইসলাম শুধু কিছু আনুষ্ঠানিক ইবাদতের নাম নয়, বরং এটি শান্তি, ভারসাম্য ও মানবিকতাসমৃদ্ধ এক পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। এই দ্বিন যেমন মানুষের ইবাদত-বন্দেগিকে সংরক্ষণ করে, তেমনি মানুষের আরাম, অধিকার, মর্যাদা ও মানসিক
ইসলামে ইবাদতের মর্যাদা শুধু তার পরিমাণে নয়, বরং নিয়ত, পরিবেশ ও পদ্ধতির উপরও নির্ভরশীল। বিশেষত জামাআতের সাথে আদায়কৃত নামাজ ব্যক্তির ঈমান, শৃঙ্খলা ও সামাজিক বন্ধনের এক উজ্জ্বলতার প্রমান বহন করে।
ইসলাম শুধু ইবাদতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং মানবিকতা, সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধ গড়ে তোলাও ইসলামের অন্যতম মূল উদ্দেশ্য। রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁর কথা ও কর্মের মাধ্যমে মুসলিম সমাজকে এমন এক নৈতিকতার
ইসলামে জুমার দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পবিত্র কোরআনে জুমার দিন দ্রুত মসজিদে গমনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া হাদিসে গুরুত্বপূর্ণ আমলের কথা বর্ণিত হয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনরা! জুমার দিন নামাজের
মানুষের জীবন আশা, ভয়, দুঃখ ও আকাঙ্ক্ষার ভেতর দিয়ে চলে। দিনের ব্যস্ততার পর রাত যখন নিস্তব্ধ হয়, তখন বান্দা তার রবের নিকট সর্বাধিক নৈকট্য লাভের সুযোগ পায়। পবিত্র কোরআন বারবার
মানুষের জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যখন সব দিক অন্ধকার মনে হয়, পথ রুদ্ধ হয়ে যায়, আশার আলো নিভে আসে। মহানবী (সা.)-এর জীবনেও প্রিয়তমা স্ত্রীর ইন্তেকাল, চাচার ইন্তেকাল, অতঃপর তায়েফের