• শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৩:৫৬ অপরাহ্ন
/ ধর্ম-ইসলাম
রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের এই রমজান মাসের অর্ধেক সময় আমরা ইতিমধ্যে অতিক্রম করে এসেছি। যেই মাস আমাদের সামনে উপনিত হয়েছিল ফিরে আসার আহ্বান নিয়ে, শুদ্ধ হওয়ার আহ্বান নিয়ে, আল্লাহর সঙ্গে বিস্তারিত...
মহান আল্লাহ তাঁর অসীম দয়া ও অনুগ্রহে রমজানকে বানিয়েছেন রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। এ মাসে একটি অমূল্য রত্ন হলো রোজাদারের দোয়া। রোজা যেমন দেহকে সংযমে অভ্যস্ত করে, তেমনি অন্তরকে
ভোগ-বিলাসিতা ও জাগতিক মোহ আত্মিক পরিশুদ্ধি লাভের পথে অন্তরায়। যুগে যুগে সাধক পুরুষরা খাদ্য-পানীয় ও ভোগ-বিলাসিতা ত্যাগের মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি লাভের সাধনা করেছেন। শরিয়তে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পার্থিব প্রয়োজন ও জৈবিক
ভোগ-বিলাসিতা ও জাগতিক মোহ আত্মিক পরিশুদ্ধি লাভের পথে অন্তরায়। যুগে যুগে সাধক পুরুষরা খাদ্য-পানীয় ও ভোগ-বিলাসিতা ত্যাগের মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি লাভের সাধনা করেছেন। শরিয়তে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পার্থিব প্রয়োজন ও জৈবিক
মানুষ জন্মগতভাবেই চাহিদার সত্তা। তার হৃদয়ে থাকে প্রাপ্তির আকাঙ্ক্ষা, নিরাপত্তার তৃষ্ণা, সচ্ছলতার স্বপ্ন। সে দিনরাত পরিশ্রম করে, দৌড়ায় রুজির পেছনে, উদ্বিগ্ন থাকে ভবিষ্যতের নিশ্চয়তার জন্য। কিন্তু এই ব্যস্ততার ভেতর একটি
রমজান শুধু একটি নিছক মাসই নয়, বরং এটি মুমিনের জীবনে নবজাগরণের আহবান। আত্মশুদ্ধি, তাওবা ও ইবাদতের এমন সুবর্ণ সুযোগ, যা বছরের আর কোনো সময়ে আসে না। তাই তো আলেমরা বলেন,
আল্লাহর অবারিত দয়া, মুক্তি ও ক্ষমার বার্তা নিয়ে আগমন করে মাহে রমজান। রমজানে বান্দা যেমন তার ইবাদত ও আনুগত্যের মাধ্যমে আল্লাহর দয়া ও অনুগ্রহ লাভ করে, তেমনি তাঁর কাছে অনুনয়
শুরু হলো পবিত্র মাহে রমজানের মাগফিরাতের ১০ দিন। মুমিনের উচিত তাওবা, ইস্তিগফার, অতীতের ভুল স্বীকার এবং মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক ঠিক করার মাধ্যমে রমজানের মহিমান্বিত এই সময়ের মর্যাদা রক্ষা করা। আল্লাহর