সৌদি আরবের চতুর্থ গ্র্যান্ড মুফতি হিসেবে ড. সালেহ বিন ফাওজান বিন আবদুল্লাহ আল-ফাওজানকে (৯০) নিয়োগ দিয়েছে দেশটির সরকার। একইসঙ্গে তিনি সিনিয়র স্কলারস কাউন্সিল এবং ইসলামিক রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা-এর চেয়ারম্যান নিযুক্ত বিস্তারিত...
সুলায়মান ইবনে বুরায়দাহ (রহ.) তার পিতা বুরায়দাহ ইবনে হুসায়ব ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, তারা যখন কবরস্থানে যেতেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে দোয়া শিখিয়ে দিতেন। «السَّلاَمُ
আজকের পৃথিবী এমন এক মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে মানুষের প্রভাবিত হওয়ার গতি ও পরিসর আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বহুগুণ বেশি। এক ক্লিকে ছড়িয়ে পড়ছে হাসি, অশ্রু, চিন্তা, বিশ্বাস—সবকিছুই। এই প্রভাবের
আব্বাসীয় খিলাফতের প্রারম্ভিক যুগ থেকেই খলিফারা অনুবাদ ও অন্যান্য জাতির জ্ঞান, বিজ্ঞান এবং সংস্কৃতি আহরণে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তাঁরা বিদেশি ভাষার গ্রন্থগুলোকে আরবি ভাষায় অনুবাদ করার জন্য বিপুল অর্থ
প্রতিটি যুগের মানুষের অন্তরে ছিল অন্তর্নিহিত এক খোঁজ। সেটি সঠিক পথ, ন্যায় ও সত্যের অনুসন্ধানের খোঁজ। ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায়, পথহারা মানুষকে আলোকিত করার জন্য অসংখ্য নবী-রাসুল প্রেরিত হয়েছেন।
মানুষের জীবনে সুখ ও দুঃখের উৎস শুধু সম্পদ বা পদমর্যাদা নয়; বরং কিছু বাস্তব উপাদান আছে, যেগুলো জীবনকে শান্তিময় বা কষ্টকর করে তোলে। এ বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) এক হাদিসে চমৎকার
মুমিনের সকাল-সন্ধ্যা কাটে জিকিরের মাধ্যমে। মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাকে সকাল-সন্ধ্যা জিকির করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘তোমার রবকে স্মরণ করো মনে মনে কাকুতি-মিনতি ও ভীতি সহকারে অনুচ্চ স্বরে সকালে ও
মানব সমাজে অন্যায়, জুলুম, প্রতারণা ও স্বার্থপরতার বিস্তার আজ এমন মাত্রায় পৌঁছেছে যে, ন্যায়পরায়ণতার আলো যেন ক্রমেই নিভে যাচ্ছে। অথচ ইসলাম এমন এক ধর্ম, যা মানবাধিকারের প্রতিটি স্তরকে আল্লাহর হক