• মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০০ অপরাহ্ন
/ ধর্ম-ইসলাম
মানব সমাজে অন্যায়, জুলুম, প্রতারণা ও স্বার্থপরতার বিস্তার আজ এমন মাত্রায় পৌঁছেছে যে, ন্যায়পরায়ণতার আলো যেন ক্রমেই নিভে যাচ্ছে। অথচ ইসলাম এমন এক ধর্ম, যা মানবাধিকারের প্রতিটি স্তরকে আল্লাহর হক বিস্তারিত...
বড় ধরনের বিপদ হলে অথবা আপনজন বা কারো মৃত্যুর খবর পেলে ধৈর্য ধারণ করা কর্তব্য। ধৈর্যের পাশাপাশি ‘ইন্না লিল্লাহ’ পড়া সুন্নত। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এটিকে মুমিনের বৈশিষ্ট্য হিসেবে উল্লেখ
মানুষের জীবনের অত্যন্ত মূল্যবান এক সম্পদ হচ্ছে সময়। সময়কে যে যত বেশি কাজে লাগাতে পারে সে দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জাহানের তত সাফল্য অর্জন করতে পারে। অথচ এই মূল্যবান সময়ের
ইসলামপূর্ব জাতি ও সভ্যতাগুলোর ভেতর ডাকব্যবস্থার প্রচলন ছিল। ধারণা করা হয়, খ্রিস্টপূর্ব দশম শতাব্দীতে চীনা সমাজে এবং খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতাব্দীতে অ্যাসেরিয়ান ও ব্যাবিলনিক সভ্যতায় ডাকব্যবস্থার প্রচলন ছিল। ডাকব্যবস্থার প্রথম বর্ণনা
মহানবী মুহাম্মদ (সা.) সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী। তাঁর গোটা জীবন বিশ্ববাসীর জন্য উত্তম আদর্শ ও অব্যর্থ মাইলফলক। তাঁর জীবনের এমন কোনো দিক নেই যেখানে উম্মতের জন্য শিক্ষা নেই।ঘরসংসার থেকে শুরু
প্রতিবছর ১১ অক্টোবর “বিশ্ব কন্যাশিশু দিবস” পালিত হয়। বিশ্বজুড়ে কন্যাশিশুর অধিকার, নিরাপত্তা ও শিক্ষার বার্তা পৌঁছে দিতে। আধুনিক সমাজে এই দিনটি অনেক মানবিক আহ্বানের প্রতীক হলেও, চৌদ্দশত বছর আগে ইসলাম
এ কথা সত্য যে, নবুওয়াতের আলো পৃথিবী থেকে জাহিলিয়াতের অন্ধকার মুছে দিয়েছে। কিন্তু মানুষ স্বভাবগতভাবে পুরনো প্রথার আকর্ষণে ফিরে যেতে চায়। তাই রাসুলুল্লাহ (সা.) সতর্ক করে বলেছিলেন, তাঁর উম্মতের মধ্যেও
মানবসভ্যতার ইতিহাসে হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম এমন এক ব্যক্তিত্ব যিনি একাই গোটা যুগের চিন্তাধারাকে পাল্টে দিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন তাওহীদের প্রতীক, শিরকের অন্ধকারে আলোর দিশারি। কিন্তু তাঁর নিজ পিতা—আযর—ছিলেন মূর্তি নির্মাতা