মধ্যপ্রাচ্যের গোয়েন্দা তথ্যও উত্তেজনা আরো বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।নাম প্রকাশ না করার শর্তে মধ্যপ্রাচ্যের দুই কর্মকর্তা মার্কিন সংবাদপত্রটিকে জানান, যুদ্ধবিরতির পর থেকেই মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী তাদের সবচেয়ে বড় যৌথ সামরিক প্রস্তুতিতে রয়েছে এবং আগামী সপ্তাহেই সম্ভাব্য হামলার জন্য অবস্থান নিচ্ছে।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি তাকে (শি) অনেক সম্মান করি। ইরানের বিষয়ে তিনি দৃঢ়ভাবে মনে করেন যে তাদের পারমাণবিক অস্ত্র থাকতে পারে না। তিনি খুব জোরালোভাবেই বলেছেন, তাদের (ইরান) পারমাণবিক অস্ত্র থাকতে পারে না এবং শি চান তারা যেন প্রণালিটি খুলে দেয়।’
ট্রাম্প বলেন, ‘তারা যদি এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করে, তবে যুক্তরাষ্ট্রও পদক্ষেপ নেওয়া বন্ধ করবে। এটা সত্যি, যুক্তরাষ্ট্র প্রণালিটি নিয়ন্ত্রণ করে। গত আড়াই সপ্তাহে ইরান কোনো ব্যবসা করতে পারেনি, যা দৈনিক প্রায় ৫০ কোটি ডলারের সমান।’
ট্রাম্প বলেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিং তাইওয়ানে ‘স্বাধীনতার জন্য লড়াই’ চান না, কারণ এতে একটি বড় ধরনের সংঘাত সৃষ্টি হতে পারে। তিনি আরো দাবি করেন, শি চিন পিং তার সঙ্গে আলোচনায় তাইওয়ান ও ইরান উভয় বিষয় নিয়েই কথা বলেছেন এবং দুই পক্ষের মধ্যে এ নিয়ে ভালো বোঝাপড়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের সময়টা দারুণ কেটেছে। অসাধারণ একটি সময় ছিল। প্রেসিডেন্ট শি একজন অবিশ্বাস্য মানুষ। আমরা তাইওয়ান নিয়ে অনেক কথা বলেছি।’
এদিকে আলোচনায় তাইওয়ানই ছিল চীনের প্রধান ইস্যু। রয়টার্স জানিয়েছে, শি ব্যক্তিগতভাবে ট্রাম্পকে সতর্ক করে বলেছেন, স্বশাসিত এই দ্বীপ নিয়ে বিরোধ যুক্তরাষ্ট্র ও চীনকে সরাসরি সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।