তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট বাজারের চাহিদা, ভোক্তার পছন্দ, পণ্যের দাম, প্রতিযোগিতা ও ব্যবসায়িক রীতিনীতি নিয়ে গবেষণা করা প্রয়োজন। পাশাপাশি জাতীয় প্যাভিলিয়নের ব্র্যান্ডিং, রপ্তানিকারকদের প্রস্তুতি এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়াতে হবে।
ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে ওষুধ রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে প্রায় ৬৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার। জুতা ও সংশ্লিষ্ট পণ্য রপ্তানি থেকে এসেছে প্রায় ৫৭ লাখ ১০ হাজার ডলার। এ ছাড়া অন্যান্য বস্ত্রপণ্য, চামড়াজাত সামগ্রী ও ভ্রমণসামগ্রীও রপ্তানি তালিকায় রয়েছে।
রপ্তানি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ব্রাজিল ও চিলিতে সম্মিলিতভাবে রপ্তানি হয়েছে ১২ কোটি ২৬ লাখ ৯০ হাজার ডলারের পণ্য, যা দক্ষিণ আমেরিকার ১১টি দেশে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৬২ দশমিক ৯ শতাংশ। ফলে এ দুই দেশের পাশাপাশি পেরু ও কলম্বিয়ায় বাজার সম্প্রসারণ এবং পোশাকের বাইরে অন্যান্য পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।