প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের দুর্নীতি, অপচয় ও অনিয়ম দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করেছে।রাষ্ট্রের সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে দুর্নীতিবিরোধী সামাজিক সচেতনতা ও মানসিকতার পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
গবেষণা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আন্তর্জাতিক র্যাংকিংয়ে পিছিয়ে থাকার অন্যতম কারণ গবেষণা ও মানসম্মত শিক্ষক নিয়োগে ঘাটতি। তিনি মেধা ও একাডেমিক যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ এবং গবেষণা সংস্কৃতি জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভূমিকম্পসহ বিভিন্ন দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক তৈরিতে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা গবেষণার জন্য আন্তর্জাতিক ডেটাবেইসে প্রবেশাধিকার, ভাষাভিত্তিক বিষয়সমূহে সরকারি চাকরিতে কোড অন্তর্ভুক্তি, সৃজনশীল শিল্পের বিকাশ এবং জাদুঘর ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে নতুন বিভাগ চালুর দাবি জানান। প্রধানমন্ত্রী এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় নীতিগত উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
স্বাগত বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই মতবিনিময় উচ্চশিক্ষা ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলন, মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ, নব্বইয়ের গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানসহ দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।
অনুষ্ঠানের শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এ ধরনের উন্মুক্ত সংলাপ দেশের উচ্চশিক্ষা ও গণতান্ত্রিক চর্চায় নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।