বাংলা কিউআরের ব্যবহার বাড়াতে গত ১ জুলাই থেকে সব ধরনের নিজস্ব কিউআরের পরিবর্তে বাংলা কিউআর চালু করা হয়েছে। একই সঙ্গে লেনদেনের কার্যকারিতা, প্রচার ও মূল্য নির্ধারণের বিষয় বিবেচনায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
আগামী ১ অক্টোবর থেকে বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক পেমেন্টের অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট মার্চেন্টের হিসাবে জমা হবে।একই দিন থেকে বাংলা কিউআর পেমেন্টে অর্থগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের ন্যূনতম ১ শতাংশ মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট হার বাতিল এবং অর্থপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের আন্ত প্রতিষ্ঠান ফি শূন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে মার্চেন্ট পর্যায়ে বাংলা কিউআর পেমেন্টের খরচ কমবে।
এ ছাড়া ১ অক্টোবর থেকে জাতীয় পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশের মাধ্যমে সম্পাদিত ২ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিটি বাংলা কিউআর লেনদেনে অর্থগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানকে শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ এবং অর্থপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে শূন্য দশমিক ২০ শতাংশ হারে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রণোদনা দেওয়া হবে।
গ্রাহকের আস্থা বাড়াতে বাংলা কিউআরের কোনো লেনদেন ব্যর্থ হলে দ্রুততম সময়ে অর্থ ফেরতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি লেনদেন-সংক্রান্ত বিরোধ দ্রুত, স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গত ২৭ সেপ্টেম্বর এ-সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।কিউআর লেনদেন নিয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে বাংলাদেশ ব্যাংকের হটলাইন ১৬২৩৬ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।
বাংলা কিউআরের নীতি ও কৌশলগত পদক্ষেপ নির্ধারণে ব্যাংক ও মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত কার্যকরী কমিটি কাজ করছে। পাশাপাশি গভর্নরের সভাপতিত্বে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত স্টিয়ারিং কমিটিও এ বিষয়ে কাজ করছে।