বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, মুখের ভেতর এমন অজস্র গ্রন্থি রয়েছে, যেখানে লালা উৎপন্ন হয়। সেই গ্রন্থির মুখে ক্যালসিয়ামের অবশিষ্টাংশ জমে পাথরে পরিণত হয়। গ্রন্থির মুখ পাথরে অবরুদ্ধ হয়ে থাকে, তাই সেখান থেকে লালারস সহজে বের হতে পারে না। দীর্ঘদিন এমনটা হতে থাকলে স্যালাইভা গ্ল্যান্ড ফুলে যায়, যন্ত্রণা হয়।সংক্রমণ হওয়াও অস্বাভাবিক নয়। এমনকি দাঁতের সমস্যাও হতে পারে।
গ্রন্থির ভেতর লালারস জমতে জমতে চোয়ালের তলায় থাকা সাবম্যান্ডিবুলার গ্রন্থির ওপর চাপ সৃষ্টি করে। গ্রন্থিটি ফুলে যায়। শক্ত খাবার চিবিয়ে খেতেও সমস্যা হয়।তবে গ্রন্থি থেকে পাথর বের করার জন্য আলাদা করে অস্ত্রোপচার করানোর প্রয়োজন হয় না।চিকিৎসকরা বলছেন, এই ধরনের স্টোন যেমন চুপিসারে আসে, তেমনই নিজে থেকেই চলে যায়। পানি কম খাওয়ার জন্য তো বটেই, এ ছাড়া কারো যদি অটোইমিউন ডিজিজ থাকে, সেক্ষেত্রেও এই ধরনের সমস্যা হতে পারে। তবে কারো কারো ক্ষেত্রে এই স্টোন সাংঘাতিক রূপ নিতেই পারে। তখন ‘সিয়ালেন্ডোস্কপি’ করে মুখের ভেতর লালাগ্রন্থিতে জমে থাকা স্টোন বের করতে হয়।