বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, প্রতিবাদ থেকেই আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি) উত্থান হয়েছে এবং এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও দেশের রাজনীতিতে ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, এবি পার্টির অগ্রযাত্রা বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা হয়ে থাকবে।
অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত রাজনীতি প্রতিষ্ঠাই সাম্প্রতিক আন্দোলনের বড় অর্জন।বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামনুল হক বলেন, জুলাই আন্দোলন রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের একটি বড় আকাঙ্ক্ষা তৈরি করেছে।
এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভুইয়া বলেন, এবি পার্টি আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এবং ছাত্রশক্তি গঠনের আগেও পাশে ছিল। তিনি বলেন, সব রাজনৈতিক শক্তির সম্মিলিত ত্যাগের ফলেই গণঅভ্যুত্থান সম্ভব হয়েছে।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, বর্তমান সময় গণতন্ত্র পুনর্গঠনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। তিনি শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
বিএনপি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা, সাবেক আইন কর্মকর্তা, শিক্ষক ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন দলের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিশের মহাসচিব ড. আহমদ আব্দুল কাদের, নাগরিক ঐক্যের সদস্য সচিব শহীদুল্লাহ্ কায়সার, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন, ন্যাপের সভাপতি জেবালুর রহমান গণি, শহীদ নাফিসা মারওয়ার বাবা আবুল হোসেন, বিডিপির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চান, জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান ও শহীদ নাঈমার আম্মা আইনুন্নাহার।