২০ বছর পরও সেই একই জিডিপির অধিকারী রয়েছে দেশটি। অপর দিকে সেই একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম স্থানে থেকে ১৩.৮১ ট্রিলিয়ন ডলারের অধিকারী ছিল। অথচ বর্তমানে দেশটি ৩২.৩৮ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির অধিকারী।এক সময় বিশ্ব অর্থনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পরেই দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থানে থাকা জাপান বর্তমানে চতুর্থ অবস্থানে নেমে যাওয়ার প্রধান কারণ হিসেবে মনে করা হয়, দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক মন্দা ও স্থবিরতা, মুদ্রার (ইয়েন) ব্যাপক অবমূল্যায়ন এবং তীব্র জনসংখ্যাগত সংকট। কারণ ২০১০ সালে চীনের কাছে দ্বিতীয় স্থান হারানোর পর জাপান দীর্ঘদিন তৃতীয় স্থানে ছিল। কিন্তু ২০২৩ সালের শেষে এসে জার্মানি এবং পরবর্তী সময়ে ভারতের দ্রুত উত্থানের ফলে জাপান বর্তমানে চতুর্থ অবস্থানে নেমে গেছে।সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য স্ট্রেইটস টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মার্কিন ডলারের বিপরীতে জাপানি মুদ্রা ‘ইয়েন’-এর মান প্রায় ১৮-২০% কমে গেছে। এর ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে জাপানের অর্থনৈতিক পতন ঘটে। একেই প্রধান কারণ হিসেবে মনে করা হয়।
তা ছাড়া আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন দেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি ডলারের মাপে হিসাব করা হয়। আর ইয়েনের মান কমে যাওয়ায় ডলারের অঙ্কে জাপানের অর্থনীতির আকার ছোট দেখিয়েছে, যা তাকে তালিকায় পিছিয়ে দিয়েছে।
অবশ্য জাপানের জনসংখ্যা দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়া এবং জন্মহার আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়াকেও বিশ্ব অর্থনীতিতে দেশটির পিছিয়ে পড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে মনে করা হয়।