আজ সোমবার দুপুরে কারওয়ান বাজার বিপিসির কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তরে তিনি এ কথা জানান।বিপিসির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধই লোকসানের মূল কারণ। ডিজেলের ক্ষেত্রে আমাদের গড়ে প্রতি লিটারে প্রায় ২০৫ টাকা খরচ হচ্ছে। অথচ এতদিন ১১৫ টাকা দরে বিক্রি করেছি। ফলে প্রতি লিটারে প্রায় ৯০ টাকা লোকসান হয়েছে।
বিপিসি চেয়ারম্যান বলেন, অক্টোবর পর্যন্ত জ্বালানি আমদানির জন্য প্রায় ৪০টি এলসি খোলার ক্ষেত্রে আরো প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ঘাটতি রয়েছে। এ ছাড়া ডিসেম্বর পর্যন্ত জ্বালানি আমদানির জন্য ক্রয়সংক্রান্ত অনুমোদন পাওয়া প্রায় সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকার সংস্থান করতে হবে। এ কারণে দাম সমন্বয় ছাড়া বিপিসির সামনে তেমন বিকল্প ছিল না।’
ড. মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘জনগণের কষ্ট লাঘবের জন্য সরকার দাম না বাড়িয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে। আগে সঞ্চিত অর্থ থেকেই প্রয়োজন মেটানো হয়েছে। কিন্তু এখন এলসি খোলার জন্য অর্থের প্রয়োজন। তাই দাম বাড়ানো ছাড়া উপায় ছিল না।’
তবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এলে স্বয়ংক্রিয় মূল্য সমন্বয় ব্যবস্থার মাধ্যমে দাম কমানোর বিষয়টি সরকার বিবেচনা করবে বলেও জানান তিনি।