অনভিপ্রেত ওই ঘটনার পর বিএনপির ইমেজ ক্ষুণ্ন করার প্রতিবাদে সালমান মুক্তাদিরকে প্রকাশ্যে ও শর্তহীন ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।এক সংবাদ সম্মেলনে আমানউল্লাহ আমান বলেন, রাজধানীর একটি বিতর্কিত প্রপার্টি দখল এবং তা কেন্দ্র করে দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে ক্যান্টনমেন্ট থানা জামায়াতের এক রোকন সদস্য (নাজিমুদ্দিন ভূঁইয়া) ও অপর এক পক্ষ জড়িত থাকলেও এতে বিএনপির কোনো সম্পৃক্ততা বা অস্তিত্ব নেই। তবু স্টুডিও ভাঙচুরের পর সালমান মুক্তাদির লাইভে এসে সরাসরি বিএনপিকে চাঁদাবাজ হিসেবে ফ্রেমিং করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়েছেন।
তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, যে প্রক্রিয়ায় স্টুডিওটি ভাঙচুর করা হয়েছে, সেটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।আমানউল্লাহ আমান অভিযোগ করেন, বিএনপিকে চাঁদাবাজির সঙ্গে যুক্ত করে একটি নির্দিষ্ট ‘ফ্রেমিং’-এর মধ্যে নিয়ে আসা হয়েছে।এর ফলে দল হিসেবে বিএনপি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং মানুষের কাছে ভুল বার্তা গেছে বলেও দাবি করেন তিনি।