সহজেই শ্বাসকষ্ট হওয়া
সিঁড়ি ভাঙা, হালকা হাঁটা বা দৈনন্দিন কাজে হঠাৎ শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া হার্ট ব্লকেজের ইঙ্গিত হতে পারে।ব্লকেজ থাকলে হৃদপিণ্ডে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পৌঁছায় না, ফলে শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।
অতিরিক্ত ক্লান্তি বা দুর্বলতা
দিনভর ক্লান্ত লাগা, বিশ্রামের পরেও শক্তি না পাওয়া এমন লক্ষণও হার্ট ব্লকেজের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হলে শরীর পর্যাপ্ত শক্তি পায় না, ফলে দুর্বলতা দেখা দেয়।
মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া
হার্টে রক্ত চলাচলে সমস্যা হলে মস্তিষ্কও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে মাথা ঘোরা, ঝিমঝিম ভাব বা হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।অনেক সময় এগুলোকে সাধারণ দুর্বলতা ভেবে এড়িয়ে যাওয়া হয়, যা বিপজ্জনক।
অকারণে অতিরিক্ত ঘাম হওয়া
অনুশীলন না করেও, এমনকি ঠাণ্ডা আবহাওয়াতেও যদি অতিরিক্ত ঘাম হয়। বিশেষ করে বুকে ব্যথার সঙ্গে ঘাম হলে তা হতে পারে হৃদযন্ত্রে চাপ ও ব্লকেজের ইঙ্গিত।
কী করবেন?
এই উপসর্গগুলোর যেকোনো একটি বারবার দেখা দিলে তা অবহেলা না করে দ্রুত একজন কার্ডিয়োলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। নিয়মিত চেকআপ, স্বাস্থ্যকর খাবার, ওজন নিয়ন্ত্রণ ও ধূমপান এড়িয়ে চললে হার্ট ব্লকেজ প্রতিরোধ করা অনেকটাই সম্ভব।