বর্তমানে বিশ্বজুড়ে হৃদরোগে আক্রান্তের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। হার্ট অ্যাটাকজনিত মৃত্যুও ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। হৃদরোগের পেছনে কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসসহ নানা শারীরিক সমস্যা বড় ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, অনিয়মিত জীবনযাপন ও শরীরচর্চার অভাবের কারণে অল্প বয়সেও বাড়ছে হৃদরোগের ঝুঁকি।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব পরিচিত কারণের বাইরে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতিও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি না থাকলে হৃদযন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। সাধারণত গাঁটে ব্যথা, অতিরিক্ত ক্লান্তি ও দুর্বলতা ভিটামিন ডি ঘাটতির লক্ষণ হিসেবে দেখা যায়।
ভিটামিন ডি শুধু হাড়ের সুস্থতার জন্য নয়, হৃদস্বাস্থ্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং কার্ডিওভাসকুলার কার্যক্রম উন্নত করতে ভূমিকা রাখে। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, ভিটামিন ডি খারাপ কোলেস্টেরল (এলডিএল) কমাতে এবং ভালো কোলেস্টেরল (এইচডিএল) বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণেও এটি সহায়ক ভূমিকা রাখে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি থাকলে উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমতে পারে।ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণে প্রতিদিন সকালে ১৫ থেকে ৩০ মিনিট রোদে থাকা উপকারী। এছাড়া খাদ্যতালিকায় দুধ, ডিম, মাশরুম, মুরগির মাংস ও সামুদ্রিক মাছ রাখলে উপকার পাওয়া যায়।
এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ..