আজ শুক্রবার অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সড়ক পরিবহণ মালিক-শ্রমিক সমন্বয় কমিটি ও জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক এবং পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।
তিনি বলেন, বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, প্রকল্প প্রদর্শনী, প্রকৌশল নকশা, রোবোটিক্স, ইঞ্জিন সংযোজন, সিমুলেশন এবং অটোমোবাইলভিত্তিক নানা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও বাস্তব দক্ষতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভবিষ্যতের নেতৃত্ব গ্রহণ করতে হলে গবেষণা, উদ্ভাবন এবং দক্ষতা অর্জনের কোনো বিকল্প নেই।
বিশ্ব ইতিহাসের বিভিন্ন যুগান্তকারী পরিবর্তনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, মানবসভ্যতার অগ্রযাত্রায় বিভিন্ন বিপ্লব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বর্তমান বিশ্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তিনির্ভর চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে অবস্থান করছে। তাই শিক্ষার পাশাপাশি ইতিহাস থেকেও শিক্ষা গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘শেখার পথ কখনো থামিয়ে দেওয়া যাবে না। ব্যর্থতাকে ভয় না পেয়ে কঠোর পরিশ্রম, ধৈর্য ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। একজন প্রকৌশলীর প্রকৃত সাফল্য শুধু প্রযুক্তিগত জ্ঞানে নয়, বরং সেই জ্ঞান মানুষের জীবনকে কতটা ইতিবাচকভাবে পরিবর্তন করতে পারে, তার মধ্যেই নিহিত।’
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে আইইউটির উপাচার্য, শিক্ষক, মেকানিক্যাল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, আইইউটি অটোমোবাইল সোসাইটি, আয়োজক কমিটি, স্বেচ্ছাসেবক, পৃষ্ঠপোষক এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
সমাপনী বক্তব্যে গণচীনের নেতা ও রাজনৈতিক চিন্তাবিদ মাও সে তুং-এর একটি বিখ্যাত উক্তি উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, পৃথিবীর ভবিষ্যৎ তরুণদের হাতেই। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আইইউটির শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে মানবকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব দেবে এবং আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি উৎসব ‘অটোমেক টু পয়েন্ট জিরো’ সফলভাবে নতুন উদ্ভাবনের পথ সুগম করবে।