দীর্ঘ সময় পর এই স্বীকৃতি পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মোহাম্মদ রাশেদ খান। এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। মহান আল্লাহর দরবারে লাখো কোটি শুকরিয়া। দীর্ঘসময় পরে হলেও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়েছে।২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে আমাকে যারা ভোট দিয়েছিলেন, সেসব শিক্ষার্থী বন্ধুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে জয়লাভ করেছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। তবে সেসময় তার ভর্তি প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। অন্যদিকে, নির্বাচনে সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছিলেন মোহাম্মদ রাশেদ খান। দীর্ঘ ৭ বছর পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নতুন এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তিনি ডাকসুর জিএস হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন।