বাপবিএ জানায়, এই অতিরিক্ত কর্মঘণ্টার মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা, বকেয়া বিল আদায়, মাঠপর্যায়ের তদারকি জোরদার এবং সরকারের জ্বালানি সাশ্রয় কর্মসূচিকে আরো কার্যকর করা সম্ভব হবে।সংগঠনটির নেতারা জানান, আরইবি ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মধ্যকার কাঠামোগত বৈষম্য দূর করতে ২০২৪ সালের শুরু থেকেই তারা যৌক্তিক দাবি তুলে আসছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিরসনে সরকারের পক্ষ থেকে একাধিক কমিটি গঠন এবং সুপারিশ প্রণয়ন করা হলেও তা এখনো আলোর মুখ দেখেনি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো অভিযোগ করা হয়, দাবি আদায়ের আন্দোলনের কারণে যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা হয়েছিল, আদালত ইতোমধ্যে তাদের অব্যাহতি দিয়েছেন।