সালমানের মন্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তার বক্তব্য নিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ তার বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন। আবার অনেকে তাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করেছেন। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘আর যদি পড়ার জন্য কিছু বই দরকার হয়, আমাকে জানিও। আমি পাঠিয়ে দেব।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘এমন মোড় আসবে, আমি ভাবিনি।’ কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন, ‘আপনি ভয় পেয়েছেন। আরেকজন লিখেছেন, ‘ক্যামেরার সামনে সিংহ, আর সরকারের সামনে…?’
এর দুই দিন আগে সালমান খান তার ছোটবেলার একটি ছবি প্রকাশ করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি সমর্থন জানান। তিনি নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসকে ‘খুবই গুরুতর বিষয়’ বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রশংসা করেন। সালমান বলেন, শক্তিশালী শিক্ষা ব্যবস্থার দাবিতে তরুণদের এগিয়ে আসা দেখে তিনি গর্বিত। তবে তিনি শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করেন, আন্দোলন যেন রাজনৈতিক রূপ না নেয়। তার মতে, বিষয়টি শিক্ষার্থী ও শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার শিক্ষার্থীদের উদ্বেগের সমাধান করবে এবং ভবিষ্যতে ভারত বিশ্বমানের শিক্ষা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে।
এদিকে দিল্লির জন্তর মন্তরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ এখনো চলছে। তবে বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকের পর ২৬ দিনের অনশন শেষ করেছেন সোনম ওয়াংচুক। নাড্ডা তাকে শিক্ষা সংস্কারসংক্রান্ত দাবিগুলো নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানা গেছে। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটি ভিডিও বার্তায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রয়োজনে দ্রুত বিচার আদালতের মাধ্যমেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকার কোনোভাবেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো ঘটনা মেনে নিবে না বলেও জানান তিনি।