ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহর মতে, প্রিয় নবী (সা.) সফর মাসের শেষের দিকে এসে সুস্থতা লাভ করেছেন। এটি সত্য হলেও সেই দিনটি কি বার ছিল, এমন কোনো সুনির্দিষ্ট বারের কথা নবীজি (সা.) বা সাহাবায়ে-কেরামদের থেকে বর্ণিত কোনো হাদিসে উল্লেখ নেই। অর্থাৎ বুধবারের এই দিনেই তিনি (নবীজি সা.) সুস্থতা লাভ করেছেন একথা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মনগড়া ও অপ্রমাণিত একটি বিষয়।
এ ক্ষেত্রে অনেকে দাবি করেন, সাহাবায়ে-কেরামরা নবীজির (সা.)-এর আরোগ্য লাভের দিনটিকে বিশেষভাবে উদ্যাপন করেছেন। তবে এটিরও কোনো ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ। জনপ্রিয় এই ইসলামিক স্কলারের ভাষ্য, নবীজির (সা.) আরোগ্য লাভের দিনটিকে সাহাবায়ে-কেরাম বিশেষভাবে উদ্যাপন করেছেন এটি সম্পূর্ণ অসত্য। এ বিষয়ে রাসুল (সা.) কিংবা হাদিসের বিভিন্ন গ্রন্থে কোনো ধরনের বিশুদ্ধ বর্ণনা নেই। এ ছাড়া দিনটি উপলক্ষে বিশেষ কোনো নামাজ বা আমলের কথা কুরআন-হাদিসে নেই। কাজেই ইসলামের নামে মনগড়া কোনোকিছু করলে তা বিদআতের অন্তর্ভুক্ত হবে।
মনে রাখতে হবে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘কেউ আমাদের এই শরিয়াতে সংগত নয় এমন কিছুর অনুপ্রবেশ ঘটালে তা প্রত্যাখ্যান করা হবে (সহিহ বুখারি, হাদিস : ২৫১৭)।’
আরেকটি হাদিসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি (ধর্মীয় ব্যাপারে) বিদআত করবে বা বিদআতকারীকে আশ্রয় দেবে তার ওপর আল্লাহর ফেরেশতা এবং সকল মানুষের লানত (অভিশাপ)। কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা’য়ালা তার কোনো ফরজ আমল এবং কোনো নফল কবুল করবেন না। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৬২৯৯)