তিন দিনেই ম্যাচ হারল বরিশাল। খুলনার কাছে ইনিংস ও ১৩৫ রানে হেরেছে তারা।খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে প্রথম ইনিংসে খুলনার ৪২৬ রানের বিপরীতে ৯৪ রানে অলআউট হয় বরিশাল। ফলো অন পড়ে দ্বিতীয় ইনিংসে কিছুটা উন্নতি হলেও তা হার এড়াতে যথেষ্ট ছিল না। ১৯৭ রানে অলআউট হয় তারা। তাতে ৭ চার ও ১ ছক্কায় ৯১ রান করা হাফিজুর রহমানের ইনিংসটা বৃথা যায়।
প্রথম ইনিংসের আক্ষেপ ভোলার সুযোগ পাচ্ছেন ময়মনসিংহের ওপেনার মাহফিজুল ইসলাম। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সেঞ্চুরি ডাকছে তাকে। সিলেটের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৬ রানে অপরাজিত তিনি। শেষ দিনে সেঞ্চুরির লক্ষ্যে নামবেন তিনি।এর আগে প্রথম ইনিংসে ৭০ রান করেছিলেন। প্রথম ইনিংসে ৩১১ রান করে ময়মনসিংহ। বিপরীতে সিলেট থামে ৩২৭ রানে। তৃতীয় দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ১ উইকেটে ১৪৮ রান স্কোরকার্ডে তুলেছে ময়মনসিংহ। তাতে ১৩২ রানের লিড পেয়েছে তারা। খালিদ হাসানকে সঙ্গী করে দুর্দান্ত শুরুটা এনে দিয়েছেন মাহফিজুল। ওপেনিংয়ে ১৪৮ রানের জুটি গড়েন তারা। দিন শেষ হওয়ার ২ বল আগে ৫৭ রানে আউট হন খালিদ।
মিরপুরে ঢাকার বিপক্ষে ৫৬ রানের লিড নিয়েও বিপদে রংপুর। কেননা দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ৬ রান তুলতেই ৩ উইকেট হারিয়েছে তারা।
এর আগে ৬ উইকেটে ১২০ রান নিয়ে আজ তৃতীয় দিন শুরু করেছিল ঢাকা। দলের হয়ে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন তাইবুর রহমান ও সুমন খান। তবে সুমনের আফসোস রয়ে গেছে। ৬ রানের জন্য পাননি সেঞ্চুরি। তাইবুর অবশ্য পেয়েছেন। তাইবুরের ১০৮ রানের বিপরীতে ৯৪ রানে আউট হন সুমন। সেঞ্চুরির করার পথে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৫ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁয়েছেন তাইবুর।
বিপরীতে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ধ্বংসস্তূপে দাঁড়ায় রংপুর। দুই ওপেনার অনিক সরকার-মিম মোসাদ্দেকের মতো রানের খাতা খোলার আগেই ড্রেসিংরুমের পথ ধরেছেন আবদুল্লাহ আল মামুনও। সবমিলিয়ে ৬২ রানে এগিয়ে দিন শেষ করেছে তারা। এর আগে প্রথম ইনিংসে রংপুরের ৩৪০ রানের বিপরীতে ঢাকা করে ২৮৪ রান।
সেঞ্চুরি পেয়েছেন সাদিকুরও
মাহমুদুল হাসানের পর সেঞ্চুরি পেয়েছেন তার সতীর্থ সাদিকুর রহমানও। জোড়া সেঞ্চুরিতে চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে প্রথম ইনিংসে ৩৯৩ রান করেছে চট্টগ্রাম।
অন্যদিকে রাজশাহী প্রথম ইনিংস করে ৩৬৪ রান। তৃতীয় দিন শেষ রাজশাহীর লিড দাঁড়িয়েছে ১৭। শেষ দিন ২ উইকেটে ৪৬ রান নিয়ে শুরু করবে তারা।
এর আগে কোনো উইকেট না হারিয়ে ১৯০ রানে দিন শুরু করেছিল চট্টগ্রাম। গতকাল তিন অংকের দেখা পাওয়া মাহমুদুল ১০৫ রান আউট হন। বিপরীতে আজ সেঞ্চুরির পর ১১৫ রানে থামেন সাদিকুর।