এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউস বলেছে, সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার সব সময়ই একটি বিশেষ সুবিধা হিসেবে দেওয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সেই নিয়মই প্রয়োগ করছেন বলে প্রশাসনের দাবি। ট্রাম্প প্রশাসন আরো বলেছে, অতীতের ডেমোক্র্যাট প্রশাসনগুলোর সময়ও রক্ষণশীল সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের সঙ্গে এ ধরনের বিরোধ হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ফক্স নিউজসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আগের প্রশাসনগুলোর বিরোধের উদাহরণও তুলে ধরেছে তারা। তবে সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকোর অবস্থান হলো, সরকারের কর্মকর্তারা কোনো সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন পছন্দ না করলেই বেছে বেছে সেই সংবাদমাধ্যমের প্রবেশাধিকার বন্ধ করতে পারেন না। যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেছে, সরকার যেন কোনো সংবাদমাধ্যম কী প্রতিবেদন করবে বা কী প্রকাশ করবে, তা নির্ধারণ করে না দেয়।
এই মামলা হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার এবং প্রেসিডেন্টের সংবাদ সংগ্রহের সুযোগ নিয়ে চলমান বিরোধকে আরও সামনে এনেছে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের ক্ষমতার সীমা নিয়েও নতুন করে আইনি প্রশ্ন উঠেছে। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদেও হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিয়ে আইনি বিরোধ হয়েছিল। সে সময় সিএনএনের সাবেক প্রতিবেদক জিম আকোস্টাকে ঘিরে একটি মামলাও বিচারক টিমোথি কেলির আদালতে গিয়েছিল। এই আইনি লড়াইয়ের মধ্যেই ট্রাম্প জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে গেছেন। সেখানে তিনি সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।