গত মার্চ শেষে খেলাপির হারে সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় ছিল রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো। এ ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের হার এখন ৪৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এ সময়ে ব্যাংকগুলো ৩ লাখ ২৬ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করেছে। এর মধ্যে খেলাপি হয়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। ব্যাংকগুলোর ১ লাখ ৩ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা প্রভিশন রাখার কথা থাকলেও তারা মাত্র ২৮ হাজার ৮৬৬ কোটি টাকা প্রভিশন রাখতে পেরেছে। সে হিসাবে প্রভিশন ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৪ হাজার ৪৭১ কোটি টাকায়। তবে সঞ্চিতি ঘাটতির এ পরিমাণ প্রকৃত চিত্র নয়, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নীতি ছাড় নিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো সঞ্চিতি ঘাটতির পরিমাণ কম দেখাচ্ছে।
গত মার্চ শেষে দেশের বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঋণের স্থিতি ছিল ১৩ লাখ ৮৩ হাজার ২৬৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৪ লাখ ১৬ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা খেলাপিতে রয়েছে। এ হিসাবে ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণকৃত ঋণের ৩০ দশমিক ১১ শতাংশ খেলাপি। এ ব্যাংকগুলোর সঞ্চিতি ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার ৩১০ কোটি টাকায়।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ শেষে বিশেষায়িত সরকারি ব্যাংকগুলো মোট ৪৭ হাজার ৮৬ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করেছিল। এর মধ্যে ১৯ হাজার ১৭৫ কোটি টাকাই খেলাপির তালিকায় থেকে গেছে। সে হিসাবে এ ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের হার ৪০ দশমিক ৭২ শতাংশ। আর বিদেশী ব্যাংকগুলোর বিতরণকৃত ৬৭ হাজার ৬২৮ কোটি টাকা ঋণের ৪ দশমিক ৮২ শতাংশ এখন খেলাপি।