এমনকি পতাকাটি যদি কোনো নির্দিষ্ট পতাকাদণ্ডে ওড়ানো হয়, তবুও সেটি যে দেশের পতাকাই হোক না কেন, তার আকার কোনোভাবেই দুই মিটারের বেশি হতে পারবে না। নিয়ম অনুযায়ী, স্থানীয় কাউন্সিল যদি নিয়মবহির্ভূত কোনো পতাকা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেয় এবং বাড়ির মালিক যদি তা অমান্য করেন, তবে তাৎক্ষণিকভাবে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৫০০ পাউন্ড জরিমানা করা হতে পারে।
ঝামেলা এখানেই শেষ নয়; নির্দেশ অমান্য করে পতাকাটি ঝুলিয়ে রাখলে, যতদিন না সেটি সরানো হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত প্রতিদিনের জন্য গুনতে হবে আলাদা জরিমানা।এই দৈনিক জরিমানার পরিমাণ মূল ২,৫০০ পাউন্ডের ওপর প্রতিদিন আরো অতিরিক্ত ২৫০ পাউন্ড করে যোগ হতে পারে। সাধারণ একজন সমর্থকের জন্য এটি বিশাল এক আর্থিক বোঝা হয়ে দাঁড়াবে।
তবে, বিশ্বকাপ চলাকালীন হুট করেই যুক্তরাজ্যের স্থানীয় কাউন্সিল আপনার দরজায় কড়া নেড়ে ২,৫০০ পাউন্ডের জরিমানার রসিদ ধরিয়ে দেবে না। এই প্রক্রিয়াটি আদালত পর্যন্ত পৌঁছাতে বেশ কিছুটা সময় লাগে। আর এর যেকোনো ধাপে যদি পতাকাটি নামিয়ে ফেলা হয় বা নিয়মের মধ্যে এনে ছোট কোনো পতাকা লাগানো হয়, তবে কোনো ঝামেলাই পোহাতে হবে না।
সাধারণত প্রতিবেশীদের কাছ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়ার পর স্থানীয় কাউন্সিল একটি আনুষ্ঠানিক অনুরোধ বা ‘এনফোর্সমেন্ট নোটিশ’ পাঠায়। যেখানে অবৈধ পতাকাটি সরিয়ে ফেলতে বা তার আকার ছোট করার নির্দেশ দেওয়া হয়। আপনি যদি সেই নির্দেশ মেনে নেন, তবে কোনো জরিমানা ছাড়াই বিষয়টি সেখানেই মিটে যাবে।